রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য তফসিল আটকে থাকবে না :সিইসি

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৩, ২২:৩৭
সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করতে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অপেক্ষা করতে হবে। চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার জন্য আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা আটকে থাকবে না। এছাড়া এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কখন, কোথায়, কী পরিমাণ সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। গতকাল বুধবার কমিশন বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ১৯৭৩ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিলো। কেননা, একদিনে তিনশ’ সংসদীয় আসনে নির্বাচন করতে গেলে প্রচলিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না। তাই আগামী নির্বাচনেও সেনাবাহিনীর সহায়তা নেয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাবাহিনী না থাকায় কোন অসুবিধা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, কোন অসুবিধা নেই। সংজ্ঞায় সেনাবাহিনী কেবল ২০০৮ সালে ছিলো। কিন্তু এরপরও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেয়া হয়েছিলো। নিবন্ধন প্রত্যাশী নতুন দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট’র (বিএনএফ) বিষয়ে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, নিবন্ধনের শর্ত হিসেবে দলটির জেলা ও থানা পর্যায়ের কার্যালয় এবং কমিটির বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে। এখন গণ-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আপত্তি চাওয়া হবে। তারপরই দলটির নিবন্ধন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে সিইসি বলেন, জামায়াতের নিবন্ধনের বিষয়ে আদালতের রায়ের কপি হাতে পেয়েছি। এটা ভালভাবে দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ও সিল লক বিতরণ আজ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার ৪০ হাজার স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ও ১২ লাখ সিল লক সারাদেশের ১০টি আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসকে বুঝিয়ে দেয়া হবে। এছাড়া জেলা নির্বাচন অফিসগুলোতে আগের প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স রয়েছে। কমলাপুর অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) থেকে আজ সকালে এসব ব্যালট বাক্স বিতরণ করা হবে।