বিয়ে যেন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৩, ২০:৪০
আজকাল বিয়ের বাজারে উচ্চশিক্ষিত মেয়ের কদর খুব বেশি। আত্মীয়-পরিজন, প্রতিবেশী বা বন্ধুদের বৌদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় শিক্ষার ক্ষেত্রে বৌকে কোনো অংশে কম হলে চলবে না। শিক্ষিত বৌ নিয়ে শ্বশুরপক্ষ বেশ গর্ব করে থাকেন। বিয়ের কিছুদিন পর বৌ যদি চাকরির চেষ্টা করে তবে বিপত্তি দেখা দেয়। শ্বশুরপক্ষ বেশ ভালোভাবেই বুঝিয়ে দেন যে, বৌকে নিতে হবে সংসারের দায়িত্ব। স্বামী-সন্তানের মঙ্গল চিন্তায় ব্যাকুল থাকাই তার প্রধান কর্তব্য। কখনো কেউ বোঝার চেষ্টা করেন না যে, যে মেয়ে তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছে স্বাবলম্বী হবার জন্য তার কাছে এ প্রাচীর কতটা দুর্বিষহ। যে বাবা-মা নিজেদের অর্থ আর শ্রমের মাধ্যমে মেয়েকে শিক্ষিত করে তুলেছেন তাঁরা হয়ে যান পর। তাঁদের মতামতকে উপেক্ষা করা হয় প্রবলভাবে। তাঁদের পরিশ্রম আর ত্যাগ নিঃশেষ হয়ে যায় চোখের জলে। সংসারের বেড়ি পরিয়ে শিক্ষিত মেয়েদের আটকে রাখা হয় ঘরের কোণে। এটি একটি সামাজিক অপরাধ। যদি তাঁদের একান্তভাবেই গৃহবধূর প্রয়োজন হয় তবে অল্পশিক্ষিত বৌ নিয়ে শ্বশুরপক্ষ সন্তুষ্ট থাকতে পারেন। সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে যেন বিয়ে নামের বন্ধন কোনো মেয়ের সামনে এগিয়ে যাবার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে। কবিতা চাক্লাদার, সহকারী অধ্যাপক (অর্থনীতি), লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, লক্ষ্মীপুর