বৃত্তি প্রাপ্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন আমার মা

আপডেট : ২০ মে ২০১৯, ২০:০৮

উয়াফিক আতিক জোয়ার্দ্দার, শিক্ষার্থী

সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা

ইংরেজি ভার্সন

আমি ২০১৮ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছি। আমার এই সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন আমার মা।  তিনি আমার পড়াশোনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছেন। এছাড়াও আমার স্কুলের শিক্ষকদের প্রচেষ্টা এবং আন্তরিকতার কারণেও আমি এই সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। তাই আমার এই সফলতার মূল হলো আমার মা ও স্কুলের সকল শিক্ষক শিক্ষিকাগণ।  পাশাপাশি পরীক্ষার আগে আমার মনে হতো আমি বৃত্তি পাব, এরকম একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গিয়েছিলো। এই আত্মবিশ্বাসই আমাকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেতে সাহায্য করেছে। তাই আমার মতে বৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ, অফুরন্ত পরিশ্রম ও ভালো করার আত্মবিশ্বাস। এই আত্মবিশ্বাস ছাড়াও প্রয়োজন অফুরন্ত পরিশ্রম। আমি বৃত্তির লক্ষ্যে বইয়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠা ভালো মতো পড়েছি। যা আমাকে ভালোফল এবং বৃত্তি পেতে সহযোগিতা করেছে। আমি দৈনিক ৪ ঘণ্টা পড়েছি। এছাড়াও হাতের লেখাকে শিক্ষকের বুঝারযোগ্য করতে হয়েছে।  সুন্দর হাতের লেখা হলো বৃত্তি পাওয়ার একটি অন্যতম উপায়। প্রত্যেকটি অক্ষরকে স্পষ্ট করে লিখতে হবে। এছাড়াও বৃত্তি পাওয়ার জন্য আমি সব প্রশ্নের উত্তর এবং প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তরকে নির্ভুলভাবে লিখতে চেষ্টা করেছি। প্রত্যেক প্রশ্নের প্রাসঙ্গিক কথা দিয়ে সুন্দর করে গুছিয়ে লিখার চেষ্টা করেছি ।  যতক্ষণ পড়াশোনা করেছি ততক্ষণ মনযোগ দিয়ে পড়েছি। আমি মনে করি বৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন অফুরন্ত পরিশ্রম, মনযোগ ও ভালো করার আত্মবিশ্বাস।