সিএম মিরাজুল ইসলাম
প্রভাষক, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
সুপ্রিয় শিক্ষার্থী, তোমাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। এতো অল্প বয়সেই দেশের বৃহত্তম পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ তোমাদের জন্য গৌরবের ও আনন্দের বিষয়। পরীক্ষা নিয়ে অতিরিক্ত টেনশন করবে না। বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয় ভালভাবে অধ্যয়ন করলে ১০০-তে ১০০ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরীক্ষায় ভাল করার উপায়:
বহুনির্বাচনী প্রশ্ন-৪০ নম্বর: বহুনির্বাচনী ৪০ নম্বরের জন্য পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি অধ্যায় ভালভাবে পড়তে হবে। যে প্রশ্নগুলি কম মনে থাকে বা কমন পড়লেও পরীক্ষার হলে সন্দেহজনক কারণে ভুল হয় সে প্রশ্নগুলি খাতায় লিখে বিশেষভাবে বারবার প্রাকটিস করতে হবে। যেমন: সন, তারিখ, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও বিখ্যাত নাম, আয়তন, দূরত্ব ও বৈশিষ্ট্য প্রভৃতি।
শূন্যস্থান পূরণ-১০ নম্বর: শূন্যস্থান পূরণের ১০ নম্বর পাঠ্যবইয়ের অধ্যায়ের শূন্যস্থানগুলি ভালমত পড়বে। এর পাশাপাশি প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলি দাগিয়ে পড়তে হবে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন- ১০ নম্বরঃ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ভালমত পড়া থাকলে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন নিয়ে টেনশনের কারণ নেই। শুধু উপস্থাপনের ক্ষেত্রে প্রশ্নের ধরন অনুযায়ী এক-দুই অথবা তিন লাইনের মধ্যে সুন্দর ও নির্ভুলভাবে মূলকথা লিখতে হবে। অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা লিখে প্রশ্নের আকার বড় করবে না।
বড় প্রশ্ন- ৪০ নম্বরঃ যোগ্যতাভিত্তিক দু’টি প্রশ্নসহ মোট ৮টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সুন্দর উপস্থাপনা, নির্ভুল তথ্যবহুল প্রাসঙ্গিক উত্তর পরীক্ষায় ভাল নম্বর পাওয়ার সহায়ক। পয়েন্টভিত্তিক সাজানো-গোছানো উত্তর বেশি নম্বর পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ৫ নম্বরের প্রশ্নের জন্য সাধারণত ৬-৭টি পয়েন্ট যথার্থভাবে লিখলেই পূর্ণ নম্বর পাওয়া যাবে। কোন শিক্ষার্থী দ্রুত লিখতে পারলে সেক্ষেত্রে ৮-১০টি পয়েন্ট লিখলে আরো বেশি ভাল হবে।
পরীক্ষার খাতায় উপস্থাপন কৌশলঃ পরীক্ষার খাতার লেখা দেখেই যেন পরীক্ষকের ভালো লাগে এমনভাবে খাতায় উত্তর লিখতে হবে। পরীক্ষার খাতায় লেখার কৌশল–
১.পরীক্ষার খাতার বামপাশে ও ওপরে যথার্থ মার্জিন টানবে।
২.প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর প্রথমে ভালোভাবে সংক্ষিপ্ত ও বড় প্রশ্ন একবার দেখে নিবে।
৩.বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর প্রথমে লিখবে। দ্বিতীয়ত. শূন্যস্থান পূরণ, তৃতীয়ত. সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং চতুর্থত. বড় প্রশ্ন লিখবে।
৪.বড় প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রে করণীয়ঃ
আকর্ষণীয় উপস্থাপনা ও উপসংহার লিখবে;
নির্ভুল বানান ও উত্তরটি প্রাসঙ্গিক হওয়া বাঞ্ছনীয়;
প্রশ্নের উত্তর সহজ ও প্রাঞ্জল হতে হবে;
হাতের লেখা সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হতে হবে;
যাদের হাতের লেখা খারাপ তারা স্পষ্ট অক্ষরে লিখবে;
প্রশ্নের নম্বর ও পয়েন্ট লেখার ক্ষেত্রে নীল দাগের কলম ব্যবহার করবে।
ওভাররাইটিং ও কাটাকাটিমুক্ত লিখতে চেষ্টা করতে হবে;
নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে ৫ মিনিট পূর্বে লেখা শেষ করে প্রশ্নপত্রের নম্বরের সাথে খাতার প্রশ্নের নম্বর মিলিয়ে দেখতে হবে।
বিজ্ঞান
বিজ্ঞান বিষয়ে কয়েকটি সমস্যার সমাধান জানতে চেয়েছে সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল এবং শহীদ বীর উত্তম লেঃ আনোয়ার গার্লস কলেজের দুইজন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী। সমাধান দিয়েছেন শহীদ বীর উত্তম লেঃ আনোয়ার গার্লস কলেজের বিজ্ঞান বিষয়ের সিনিয়র শিক্ষক মহসিন হোসেন
১. যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নের জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নেব।
২. নৈর্ব্যক্তিক ও সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্নের জন্য কী পড়তে হবে?
৩.ভালো করার কৌশল আলোচনার সাথে নম্বর বণ্টন সম্পর্কে ধারণা চাই।
