তাহমিনা আক্তার শান্তা
পরীক্ষার খাতায় শিক্ষার্থীরা সামান্য সাবধানতার অভাবে অথবা অতি সাবধানতার কারণে ছোট ছোট ভুল করে থাকে। ভুলগুলো ছোট হলেও একজন পরীক্ষক সম্পূর্ণ নম্বর দিতে এগুলো বিবেচনা করে থাকে। এমনকি পরীক্ষার্থী অনেক ভালো লিখেও পূর্ণ নম্বর পায় না। তবে অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের একটু বুঝিয়ে সচেতন করলে অথবা অভ্যাস গড়ে তুললে শিক্ষার্থীদের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। গত সমাপনী পরীক্ষার কয়েকটি খাতা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে একজন শিক্ষার্থী উত্তরপত্রে খুঁটিনাটি অনেক ভুল করে থাকে। নিচের আলোচনায় পরীক্ষার্থীদের ভুল সম্পর্কে অভিভাবকদের অবগত করার চেষ্টা করবো। যাতে সময়মতো সন্তানদের পরিচর্যার মাধ্যমে শোধরাতে পারে। যেমন
১.অনেক শিক্ষার্থী প্রশ্নপত্র পেয়েই লিখা শুরু করে দেয় ফলে পরীক্ষা শেষে দেখে প্রশ্নের উত্তর কম লিখেছে অথবা বেশি লিখেছে।
২.অনেক শিক্ষার্থীই জানে না কোন্ প্রশ্নের উত্তর লিখল এর নম্বর উত্তর পত্রে কিভাবে লিখতে হয়।
৩. গণিতের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অঙ্কটি করে ফলাফল না বসিয়েই আরেকটি প্রশ্নের উত্তর লিখা শুরু করে।
৪. বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চিত্র দেয় না।
৫.লিখার সময় অসংখ্য বানান ভুল করে।
৬. বাক্য সম্পূর্ণ করে না।
৭.অনেকে আবার একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে অন্য আরেকটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেয়।
৮। যারা অতিরিক্ত কাগজ নেয় তারা সঠিকভাবে উত্তরপত্রের সাথে পিনআপ করে না। তাড়াহুরো করে লিখা আকাঁবাকা হয়ে যায়। কেউ কেউ অনেক বড় করে লিখে যা কয়েক লাইনেই পাতা ভরাট হয়ে যায়।
৯. প্রশ্ন না বুঝলে পাশের পরীক্ষার্থীদের বিরক্ত করে।
১০। প্রশ্নের নম্বর না লিখেই উত্তর লিখা শুরু করে।
১১। ভুল সংশোধন করতে গিয়ে অভাররাইটিং করে।
১২। কলম দিয়ে মার্জিনের পরিবর্তে উত্তরপত্র ভেঙে মার্জিন দেয়।
