কপোতাক্ষ নদের উপচেপড়া ও অতিবৃষ্টির পানিতে যশোরের কেশবপুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান সাগরদাঁড়ির মধুপল্লীসহ পর্যটন কেন্দ্রে যাতায়াতের এক মাত্র সড়ক এবং অধিকাংশ দালানকোঠা গত ৩ মাস ধরে প্লাবিত থাকায় পর্যটকদের আগমন হ্রাস পেয়েছে। প্রতি মাসে শত শত পর্যটকের এখানে আগমন ঘটলেও গত ৩ মাসে অর্ধশতাধিক পর্যটকেরও আগমন ঘটেনি।
গত আগস্ট মাস থেকে এ অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও কপোতাক্ষের পানির কারণে কেশবপুর-সাগরদাঁড়ি সড়কের শেখপুরা নামক স্থানের প্রায় ২শ’ফুট পাকা সড়কের উপর ২/৩ ফুট পানি জমে থাকায় এবং জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, শিশুদের খেলার মাঠ, বাদামতলার বিনোদন পার্কসহ মধুপল্লীর অধিকাংশ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়ায় পর্যটকরা এখানে ভ্রমণে আসতে পারছেন না।
দুই মাস পরে ২৫ জানুয়ারি কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুরু হবে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহত্ এ মেলায় সমাগম ঘটে থাকে কয়েক লাখ মানুষের। জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর কেয়ারটেকার আব্দুস সামাদ বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও কপোতাক্ষ নদের পানি ঢুকে পড়ার কারণে কবির স্মৃতিবিজড়িত কাঠবাদাম গাছটি হুমকির মুখে রয়েছে। সৌন্দর্য হারিয়েছে শিশু পার্কসহ মধু উদ্যানটি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মো. মঞ্জুর আলম জানান, কেশবপুরের ৩টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের সাগরদাঁড়ি গ্রামেই মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি, জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, খেলার মাঠ, পার্কসহ মধুপল্লীর অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত।
