কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় কভার্ডভ্যান চাপায় ৫ নারী, ১ কিশোরসহ ৮ পথচারী নিহত হয়েছেন। শনিবার বিকাল সোয়া ৫টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ময়নামতি সেনানিবাস এলাকার ওভারব্রীজের নিচে কাকলী রেস্টুরেন্টের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৭ পথচারী।
নিহতরা হলেন- কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাস সংলগ্ন বাংলাবাজার এলাকার বারেক মিয়ার স্ত্রী হাছিনা বেগম (৩২), একই এলাকার স্বপন মিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার (২৫), রংপুর জেলার দাঙ্গাচর উপজেলার তিশামদগণেশ গ্রামের নজরুল ইসলাম (৫০), কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কাবিলা গ্রামের নাছরিন আক্তার (২৪), রোকসানা বেগম, মোর্সেদা বেগম ও আব্দুর রশিদ। নিহত কিশোরের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী জুনায়েদ জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামমুখী একটি কভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ময়নামতি সেনানিবাস এলাকার ওভারব্রীজ এর নিচে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারী ও ৩টি রিকশাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই পাঁচ পথচারী মারা যান।
হাইওয়ে পুলিশ ময়নামতি ক্রসিং ফাঁড়ির অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মশিউর রহমান জানান, আমাদের কাছে তিন নারী, এক কিশোর ও এক পুরুষের মৃতদেহ রয়েছে। এদের উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি তিনজনের তথ্য আমাদের কাছে নেই। আহতদের মধ্যে ময়নামতি সেনানিবাস সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চার জন, ময়নামতি জেনারেল হাসপাতালে দুই জন ও কুমিল্লা সদরে নেয়া হয়েছে আরও চারজনকে। এদের মধ্যে উত্তরবঙ্গ থেকে কাজ করতে আসা দিনমজুরও রয়েছেন। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে তিনি জানান।
কুমিল্লার একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, সিএমএইচ এ চিকিত্সাধীন চার জনের মধ্যে চিকিত্সাধীন অবস্থায় রোকসানা, মোর্সেদা ও আব্দুর রশিদ মারা গেছেন।
