উকিল বলছেন আসামিকে, ‘এবারের মতো তোমাকে বেকসুর খালাস পাইয়ে দিলাম। কিন্তু এখন থেকে পাজি লোকজনের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে যেন আমার কাছে আর না আসেতে হয়।’
আসামি :অবশ্যই স্যার। আমি অবশ্যই আপনার কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করব।
বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে এক কয়েদি বলল, ‘হুজুর, আমাকে ব্যাংক ডাকাতির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি একেবারেই
নিরপরাধ। আমাকে আপনি বাঁচান।’
সাক্ষী ব্যাংক কর্মকর্তা চিত্কার করে বললেন, ‘না হুজুর! পাঁচ ব্যাংক ডাকাতের মধ্যে এই লোকও ছিল। আমি নিশ্চিত।’
কয়েদি :অসম্ভব! এই লোকটা মিথ্যা বলছে হুজুর। আমরা চারজন ছিলাম!
বিচারক :তুমি পকেট মারতে গিয়ে ধরা পড়েছে। তোমার দোষ স্বীকারে আপত্তি আছে?
আসামি :আমি নিরপরাধ হুজুর। ধরা পড়ার জন্য আমি দায়ী নই। লোকটার পকেট এত ছোট ছিল যে, হাতটা টুকিয়ে আর বের করতে পারিনি!
ম্যাজিস্ট্রেট :গতবারও আমি তোমাকে বলেছিলাম যে আমি চাই না তুমি আবারও বিচারের মুখোমুখি হতে এখানে আস।
পকেটমার :স্যার, ঠিক এই কথাই আমিও পুলিশকে বলেছিলাম, কিন্তু পুলিশ কিছুতেই বিশ্বাস করল না।
ছাত্র :দেখুন, নিশ্চয়ই কোনো গণ্ডগোল আছে খাতা দেখায়, একেবারে শূন্য পাব এমন পরীক্ষা দিয়েছি বলে তো মনে হয় না!
পরীক্ষক :আমিও মনে করি না যে তুমি একেবারে শূন্য পাবে। কিন্তু কী করব বল এর চেয়ে কম দেওয়ার কোনো উপায় যে নেই।
