মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মিলিত শক্তি একান্ত প্রয়োজন

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০১৩, ২১:১২
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা লাভের পরপরই এপ্রিল, ১৯৭২ সালে গড়ে তোলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। জুলাই ২০১০-এ ‘এক মুক্তি একপদে এক ভোট’ পদ্ধতিতে দেশের উপজেলা থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সাংগঠনিকভাবে ৩টি পর্যায়ে ৬৩২০ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হল। অক্টোবর ২০১০-এ এই নির্বাচিত ৬৩২০ জন মুক্তিযোদ্ধা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে শপথবাক্য পাঠ করেন। এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধেই জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল কর্তৃক বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যমেয়াদ ৩ বছর থেকে ৪ বছরে বর্ধিত করে এক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং তা ঐ সভায় স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনে পাস হয়। ১৩ জুলাই ২০১৩ তারিখে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক আকর্ষিক আদেশে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলকে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিবের কাছে হস্তান্তর করতে হয়। যার ফলে আজ দেশের প্রায় ২ লাখ মুক্তিযোদ্ধা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। যে মুহূর্তে মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপ্রসূত দলের পক্ষে কাছ করা দরকার, ঠিক সেই সময় তারা সাংগঠনিকভাবে নিষ্ক্রিয়। অথচ এ মুহূর্তে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মিলিত শক্তি একান্ত প্রয়োজন। আর তাই বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে কাজ করার পুনরাদেশ প্রদানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নৌ-কমান্ডো সৈয়দ আহম্মদ মজুমদার, মহাসচিব, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডো এসোসিয়েশন, ঢাকা