সংশোধিত দুদক আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে উন্নয়ন সহযোগী দাতাসংস্থাগুলো। গতকাল সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত স্থানীয় পরামর্শক গ্রুপের (এলসিজি) বৈঠকে এ উদ্বেগ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
রবিবার জাতীয় সংসদে পাস হওয়া দুদক আইনের সংশোধনীতে বলা হয়েছে, দুদক যদি সরকারি কোন কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে চায় তাহলে সরকারের পূর্বানুমতি লাগবে। এ বিষয়টি নিয়েই দাতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, আইনমন্ত্রী সংসদে যে বিলটি উপস্থাপন করেছেন, একটি সংশোধনসহ বিলটি পাস হয়েছে। সেটি নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ।
এলসিজি বৈঠকে কো-চেয়ার ইআরডি সচিব আবুল কালাম আজাদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী নেইল ওয়াকার এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি নেইল ওয়াকার বলেন, দুদক আইনের সংশোধন নিয়ে বৈঠকে আপত্তি তোলা হয়েছে। এ ব্যাপারে বেশি সোচ্চার ইইউ। এরপর অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে বিষয়টি উল্লেখ করেন।
চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে বৈঠকে প্রশ্ন উঠেছে কিনা-জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো আলোচনা হয়নি। কে কী অনুমান করবে? কেউ তো কিছু জানে না।’ মন্ত্রীদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীতো ঘোষণা দিয়েছেনই, সর্বদলীয় তবে ছোট মন্ত্রীসভা হবে। অন্তর্ভুক্ত করা হবে অন্যান্য দলের লোকদেরও। সবাই পদত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এখন কাকে রাখেন, কাকে বাদ দেন, তা একান্তই তার বিষয়।
বৈঠক শেষে ইআরডি সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, মূলত তিনটি বিষয় নিয়ে দাতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, বাংলাদেশের কি উন্নয়ন হয়েছে, কি করা যেত এবং কি করা যায়নি ইত্যাদি নিয়ে একটি উপস্থাপনা ছিল বৈঠকে। গতকালকের এলসিজি বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরিকল্পনামন্ত্রী একে খন্দকার বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
