ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড় হাইয়ানের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সরবরাহের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে জাতীয় দুর্যোগ পরিস্থিতি ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বেনিগনো একুইনো। এক বিবৃতিতে তিনি এ ঘোষণা দেন। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে রাস্তাঘাট ও বিমানবন্দর বিধ্বস্ত হওয়ায় দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ঘূর্ণিঝড় হাইয়ানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লেইতি ও সামার প্রদেশে ব্যাপক ধ্বংসলীলা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ দুটি প্রদেশের হাজার হাজার দুর্গত মানুষ ঘূর্ণিঝড়ের চারদিন পরও ত্রাণ সাহায্যের জন্য অধীরভাবে অপেক্ষা করছে। প্রেসিডেন্ট ঐ বিবৃতিতে জানান, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে লেইতি প্রদেশের প্রধান শহর তেকলোবান অন্যতম। তেকলোবান শহরটিতে প্রয়োজনীয় ত্রাণ তত্পরতা এখনো পুরো উদ্যমে শুরু করা যায়নি। দুর্গত মানুষের অনেকেই এখনো ত্রাণহীন অবস্থায় আছে। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ত্রাণ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
এসব দুর্গত মানুষকে মানবিক সহায়তা দেয়ার লক্ষ্যে মঙ্গলবার জাতিসংঘ ব্যাপকভিত্তিক একটি মানবিক সহায়তা পরিকল্পনা পেশ করবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব সংস্থাটির মহাসচিব বান কি মুন। ফিলিপাইনের জনগণের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করার জন্য মুন জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি মন্তব্য করেন, আমরা সবাই দেখেছি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের হূদয়ভাঙা দৃশ্য।
এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড কেমেরুনও ফিলিপাইনে আরো বেশি করে ত্রাণ সরবরাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতাসংস্থাগুলো ত্রাণ সহায়তা বাড়ানোর আহবান জানিয়েছে।
