ভার্সিটিতে না পড়েও গ্লোবাল চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হওয়া সম্ভব

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৩, ২০:৩৯
এসএসসি, এইচএসসি ও ও-লেভেলের পর চার বছরে ইউকে-এর অনার্স ডিগ্রিসহ গ্লোবাল চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট হওয়া সম্ভব। একমাত্র এই প্রতিষ্ঠানেরই আছে ‘পাশ গ্যারান্টেড স্কিম’। এই স্কিমে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্কলারশিপ দেওয়া হচ্ছে। গতানুগতিক কাগুজে সার্টিফিকেট নিয়ে চাকরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরপাক খাওয়া থেকে বাঁচতে এবং শিক্ষিত বেকারত্বের গ্লানি থেকে মুক্ত থাকতে অগ্রসর হতে হবে একটু ভেবেচিন্তে। খুঁজতে হবে যুগোপযোগী কর্মমুখী শিক্ষা। যেমন, এসএসসি/এইচএসসি বা ও-লেভেল সম্পন্ন করার পরেই এসিসিএ পড়ার মতো একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে একজন শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার। সময় এখন ব্যবসামুখী, দ্রুত প্রসার ঘটছে এই সেক্টরের। এ চাহিদার কারণে সচেতন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রফেশনাল ফাইনান্স বা অ্যাকাউন্টিংয়ের প্রফেশনাল কোয়ালিফিকেশনের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। এ ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী যুক্তরাজ্যের অ্যাওয়ার্ডিং বডি এসিসিএ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি প্রফেশনাল বডি। এটি অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন একটি কোর্স। চলতি বছরের মে মাস থেকে এসিসিএ’র ভর্তি পদ্ধতিতে বেশ পরিবর্তন এসেছে। এখন এটি সবার জন্য উম্মুক্ত। যে কেউ চাইলেই যে কোন গ্রুপ থেকে এসএসসি, এইচএসসি বা ও-লেভেল করেই রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা না করে এসিসিএ ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা (এফডি) ভর্তির মধ্য দিয়ে এসিসিএ’র পথে যাত্রা শুরু করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সরাসরি ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমার মাধ্যমে এসিসিএ শুরু করতে পারে। আর যাদের গ্র্যাজুয়েশন বা এ-লেভেল করা আছে, তারা সরাসরি এসিসিএ করতে পারে। এই প্রোগ্রামে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে আরও জানতে ০১১৯৯৯৮২২০২, ০১৯১২১০১৪৭৩ নম্বরে ফোন করতে পারেন। অ্যাকাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট বা ফাইন্যান্সে বিবিএ বা এমবিএ কিংবা অনার্স করা থাকলে এসিসিএতে কিছু বিষয়ে এক্সাম্পশন বা ছাড় পাওয়া যায়। চাকরিজীবীরা এই কোর্স করে তাদের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিতে পারবেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দক্ষ ও অভিজ্ঞ অ্যাকাউন্টিং প্রফেশনালের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে অন্যতম যোগ্যতা হচ্ছে এসিসিএ ডিগ্রি। এফডিতে সাতটি কোর্স এবং সব পরীক্ষা কম্পিউটার বেইজড বা পেপার বেইজড-এর মাধ্যমে ব্রিটিশ কাউন্সিলে দেওয়া যাবে। তাই গতানুগতিক শিক্ষার আশায় বসে না থেকে এসব গ্লোবাল ডিগ্রি সম্পন্ন করে খুব সহজেই ক্যারিয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা যায়। গড়া যায় উজ্জ্বল ও মজবুত ভবিষ্যত্। আমাদের দেশে যেসব প্রতিষ্ঠান এসব কোর্স করাচ্ছে, তাদের মধ্যে সাইফুর’স ইউনিভার্সিটি কলেজ অন্যতম। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে একমাত্র এই প্রতিষ্ঠানেই রয়েছে ‘পাশ গ্যারান্টি স্কিম’। ফলে এখানে সফলতার হার বেশি। যোগাযোগ :৬৯/বি,মনোয়ারা প্লাজা পাস্থপথ, ঢাকা।