মোরেলগঞ্জে বিদ্যালয় ভবনে ফাটল:আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৩, ২০:৫৪
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌর সদরের সাইক্লোন সেল্টার কাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কারণে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা রয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকির মধ্যে । পাশাপাশি বিদ্যালয়টিতে রয়েছে নানাবিধ সমস্যা। জানা গেছে, ১৯৫১ সালে বারইখালী সরকারি বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। তত্কালীন সময়ে ১৯৮৬ সালে এ বিদ্যালয়টি পানগুছি নদীগর্ভে বিলীন হবার পর স্থানান্তরিত করে বর্তমান স্থানে টিনশেডের শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হয়। ২০০৭ সালের প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড় সিডরে এ বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীর মাধ্যমে ১ কোটি ২৪ লাখ ৪২ হাজার ২৬১ টাকা ব্যয়ে পুনঃনির্মাণের কাজ শুরু হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ছাড়াই ২০১১ সালে বিদ্যালয়টি হস্তান্তরিত হয়। কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণের কারণে ২ বছর যেতে না যেতেই বিদ্যালয়ে দেখা দিয়েছে ফাটল। ষ্টোররুম, পাঠাগারসহ একটি শ্রেণিকক্ষে এ ফাটল দেখা দেয়। সামান্য বৃষ্টি হলে ছাদে পানি জমে থকে। শ্রেণিকক্ষে ফ্লোরে নেট ফিনিশিং না থাকায় ধুলোবালির মধ্যে ক্লাশ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। বিদ্যালয় হস্তান্তরের সময়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করলেও কোন কাজ হয়নি। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এইচ এম ছাবুল আখতার জানান, বিদ্যালয়ের অসম্পূর্ণ কাজের অভিযোগে তিনি বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে না নিয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের শেষ বিলটি পরিশোধ করেন। প্রধান শিক্ষিকা হোসনে আরা বেগম জানান, নির্মাণের ২ বছরের মাথায় ফাটল ধরায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে ক্লাশ করতে হয়। অপরদিকে বিদ্যালয়টিতে রয়েছে নানাবিধ সমস্যা। তিনকক্ষের নতুন ভবনে দুই শিফটে ছাত্র-ছাত্রী স্থান সংকুলান হয় না। যার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের পার্শ্ববর্তী ব্যবহার অনুপযোগী টিনশেডে ক্লাশ করতে হয়। বৃষ্টির সময় পানি পড়ে আর সামান্য জোয়ারে ক্লাশে পানি উঠে যায়।