নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের দু’টি কক্ষে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ৫০০ স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, কম্পিউটার, প্রিন্টারসহ অনেক নির্বাচনী সামগ্রি পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায় উপজেলা নির্বাচন অফিসে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নির্বাচন কমিশন বলছে এটা নাশকতা। ভবনের জানালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে আগুন দেয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় পুলিশের ধারণা, বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ‘নাশকতা’ উল্লেখ করে থানায় মামলা হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তকদির আহমেদ বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা জানালার গ্লাস ভেঙে আগুন দিয়েছে। এতে প্রায় ৫০০ স্বচ্ছ ব্যালট বক্স পুড়ে গেছে।
সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাউসুল আজম জানান, ভোর রাত সাড়ে ৩টায় হঠাত্ করেই উপজেলা নির্বাচন অফিসের স্টোর রুমে আগুন দেখার পরে স্থানীয়রা নিজেরাই পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় আধাঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
একমাস আগে নিরাপত্তা
চেয়েছিল ইসি
গত মাসের শেষ সপ্তাহে বিভাগীয়, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলায় নির্বাচন কার্যালয় ও নির্বাচনী মালামালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্বাচন কমিশন সসিবালয় থেকে চিঠি দেয়া হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লেখা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-সচিব আবুল কাশেম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিরাপত্তা, অফিসের সরঞ্জাম ও নির্বাচনী মালামাল সংরক্ষণ, ১০ আঞ্চলিক কার্যালয়, ৬৪ জেলা নির্বাচন কার্যালয় ও ৫১২টি উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসের নিরাপত্তা বিধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়। এছাড়া বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তর, র্যাব, মহানগর পলিশসহ স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়।
