সুন্দরগঞ্জে জামায়াতের হামলায় ছাত্রলীগ নেতা নিহত

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৩, ২২:৫১
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডাররা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের শাহ মখদুম হল শাখার সভাপতি খলিলুর রহমান মামুনকে হত্যা করেছে। মামুনের পুলিশের এসআই পদে চাকরি হয়েছিল। কয়েকদিন পর তার সারদা পুলিশ একাডেমীতে যোগ দেয়ার কথা। ঘটনার সময় তিনি সুন্দরগঞ্জের ডোমেরহাট বাজারের একটি সেলুনে শেভ করাচ্ছিলেন। গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মোশাররফ হোসেন প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, জামায়াতের ক্যাডাররা তাকে সেলুনের ভিতর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে পালানোর চেষ্টা করলে প্রকাশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। পরে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা স্থানীয় জামায়াতের অফিস ভাংচুর ও জামায়াত নেতা বাদশা বিএসসির বাড়ি ভাংচুর করে। তারা ৮টি দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার পর পুলিশ স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের কাউকে আটক করতে পারেনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মামুন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগ থেকে এ বছর মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছেন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের মাস্টারের মোড়ের বাজারপাড়া এলাকায় তার বাড়ি। ১০/১২ জন জামায়াত কর্মী প্রথমে তাকে ঘেরাও করে মারধর করে। এগুলোর মালিক জামায়াতের নেতাকর্মী কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা জামায়াত ও শিবিরের কর্মীদের ধাওয়া দেয়। জনতা জামায়াত নেতা বাদশার বাড়ি ভাংচুর করে। গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোশাররফ হোসেন জানান, ঘটনার পর সেখানে সার্কেল এএসপির নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে র্যাবও মোতায়েন করা হয়েছে।