পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রামে গত ২ নভেম্বর দুপুরে ফেসবুকে মহানবী (স.) কে কটূক্তি ও তার ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের মিথ্যা গুজবকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় এ পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঐ দিন সন্ত্রাসীদের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয় দুটি হিন্দু পাড়া। এতে অভিযুক্ত রাজিবের বাড়ীতে ভাংচুর ও লুটপাটের পরে সন্ত্রাসীরা অগ্নিসংযোগ করে। এছাড়া এলাকার ২৬টি বাড়ীতে ভাংচুর, লুটপাট করাসহ ৫টি মন্দিরে চালানো হয় ভাংচুর।
এ সব ঘটনায় আতাইকুলা থানা পুলিশ ২টি ও রাজিবের বাবা বাদী হয়ে প্রায় ৩ হাজার ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করেন। এছাড়ায় পাবনা পুলিশ সুপার ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি বনগ্রামের প্রতিটি কম্পিউটারের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তদন্ত কাজ করে যাচ্ছে।
আদালত, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও পুলিশের আইজিপি‘র নির্দেশে তিনটি মামলা করা হয়। আতাইকুলা থানা পুলিশ এসব আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। অসংখ্য ব্যক্তির নামে নামে-বেনামে মামলা হওয়ায় এলাকায় এখন গ্রেফতার আতংক বিরাজ করছে।
অপর দিকে আসামিদের গ্রেফতার, আক্রান্ত এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন ও র্যাবের সর্বাক্ষণিক টহলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু পরিবারের জীবন ও জীবিকা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
চৌমুহনীতে একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে ভিটাছাড়া করার চেষ্টা
চৌমুহনী (নোয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, চৌমুহনী শহরের কুরি পাড়ায় বসবাসকারি হোমিও ডাক্তার প্রদীপ চন্দ্র ভট্টাচার্যের পরিবারকে ভিটা ছাড়া করার জন্য স্থানীয় কতিপয় সন্ত্রাসী অনেকদিন থেকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালিয়ে আসছে। শুক্রবার রাতে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা তার বাসার দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে। তাছাড়া গত কয়েক মাস পূর্বে ডা. প্রদীপ রাতে বাসায় যাওয়ার সময় মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এ চাড়াও বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে।
