ককটেল সরবরাহকারীদের মাথায় হাত

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৩, ২২:৪২
প্রতি হরতালের আগে অথবা বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় অত্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটে ককটেল অথবা হাত বোমা সরবরাহকারীদের। এরকম রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ককটেল সরবরাহের কাজে ডজন খানেক লোক জড়িত বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়। এবার তাদের ধারণা ছিল বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অর্থ পাচার মামলায় সাজা হবে। রায় ঘোষণার পর হরতালসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি দেয়া হবে। পাশাপাশি ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ এবং বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে এ সুযোগে তাদের ব্যবসাটাও জমবে ভালো। ইতিমধ্যে একটি রাজনৈতিক দল এবং তার অঙ্গ সংগঠনের ওয়ার্ড পর্যায়ের বেশ কিছু নেতা-কর্মী ককটেল প্রস্তুত করে রাখার জন্য সরবরাহকারীদের ফরমায়েশও করেন। এ বাবদ অগ্রিম টাকা-পয়সাও দেয়া হয়েছিল এবং সরবরাহকারীরাও সেভাবে ককটেল প্রস্তুত করে রাখে। গতকাল রবিবার তারেক রহমানের এই মামলার রায় ঘোষণার পর সরবরাহকারীদের মাথায় হাত। যেখানে রায় ঘোষণার পর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক বোমাবাজির কথা ছিল সেখানে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও বোমা নিক্ষেপের কাজগুলো যারা করে থাকে গতকাল তারা ব্যস্ত ছিল মিষ্টি খাওয়ায়। এ অবস্থায় ককটেল সরবরাহকারীদের পক্ষ থেকে অগ্রিম প্রদানকারীদের কাছে ফোন করে বলা হয়, ‘এতো ককটেল নিয়ে আমরা এখন কী করব?’ অপর প্রান্ত থেকে উত্তর আসে, ‘ভাইরে তোদের কপাল মন্দ!’ মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দুই কর্মকর্তা বলেন, হরতালে রাজধানীর ৪৯টি পয়েন্টের কোন না কোন স্থানে দু’একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েই থাকে। সরবরাহকারীদের সঙ্গে ওই সব পয়েন্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা-কর্মীদের যোগাযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকজন বোমা সরবরাহকারীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।