চরকাউয়া ইউনিয়নের চরআইচা গ্রামে সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘরে হামলা-ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার তিন দিন পর নৌ-বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষে স্থানীয় দেব রঞ্জন হালদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫শ’ থেকে ১৬ শ লোকের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি রবিবার গভীর রাতে থানায় রেকর্ড করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এ পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত ২০ জনকে মামলায় আসামি দেখানো হবে।
এর আগে রবিবার দুপুরে নিহত পারভেজ গাজীর পিতা সেলিম গাজী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন তাতে শংকর দাসের পুত্র পাভেল দাস (২০), ধীরেন চন্দ্র হালদারের পুত্র ধীমান (২০), গোপাল চন্দ্র হালদারের পুত্র পীযূষ (১৮), শংকর দাসের পুত্র সোহাগ (২০), নাসির মোল্লার পুত্র রাজিব (১৬), ঘটক পালের পুত্র রুহিদাস পাল (৩০), ধাম দাসের পুত্র সুমন দাস (২৩), বিমল দাসের পুত্র সাগর দাস (২০) ও বিমল দাসকে (৩৫) আসামি করা হয়েছে। আদালতের বিচারক রফিকুল ইসলাম মামলাটি রেকর্ড করার জন্য নৌ-বন্দর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
পারভেজ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদেরকে এ হত্যা মামলার আসামি হিসেবে শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ ও পারভেজ হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে নগরীর একাধিক স্থানে গতকাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।
