গত দুই সপ্তাহে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর, পণ্যসামগ্রী লুটপাটের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মালিক ও শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা। তারা রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার কথাও বলেছেন।
গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা একই সঙ্গে বাংলাদেশ লাইফ লাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান। তারা সীতাকুন্ড-মিরেরসরাই এলাকায় সকল রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনেরও পরামর্শ দেন। সভায় আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লি¬ষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন।
চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম সভায় বলেন, গত দুই সপ্তাহে চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কে সীতাকুন্ডসহ প্রায় ৩৭ কিলোমিটার এলাকায় ৬৯টি গাড়িতে আগুন দেয়া হয়। কয়েকশ’ গাড়ি ভাংচুর করা হয়। পণ্যসামগ্রী লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ধারাবাহিক নাশকতার কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. নওশের আলী সভায় বলেন, সীতাকুন্ড-মিরেরসরাইসহ চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমেই চলমান অরাজকতা ও লুটপাট বন্ধ করা সম্ভব।
