আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের রূপকার, মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোর সোয়া ৭টায় ভ্যাঙ্কুভার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। তিনি স্ত্রী বুলা ইসলাম, ২ ছেলে জোত্যি ইসলাম, জয়ন্ত ইসলাম এবং অসংখ্য প্রিয়জন রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। তার মৃত্যুতে দেশে-বিদেশে বাঙালিদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ভ্যাঙ্কুভারের রিচমন্ড মসজিদে জানাজার পর সিলিওয়াকে তাকে দাফন করা হবে। তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে অটোয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বিবৃতিতে বলেন, মাতৃভাষার জন্য এক রফিক রক্ত দিলেন, আরেক রফিক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এনে দিল। যা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত। হাই কমিশনার কামরুল আহসান বলেন, তার অমূল্য অবদান আমরা চিরদিন লালন-পালন করবো।
উল্লেখ্য, রফিকুল ইসলাম মহান ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিতে ইউনেস্কোতে সর্বপ্রথম প্রস্তাব উত্থাপন করে ১৯৯৮ সালের ৯ জানুয়ারি জাতিসংঘের তত্কালীন জেনারেল সেক্রেটারি কফি আনানকে একটি চিঠি লিখেন। পরে তা পর্যায়ক্রমে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
