২০১১ সালের অক্টোবরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর থেকেই দেশীয় ল্যাপটপ ব্র্যান্ড ‘দোয়েল’ সবার মাঝে সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছিল। মূলত স্বল্প মূল্যের কারণেই তরুণ প্রজন্মের কাছে ছিল এর তুমুল চাহিদা। সর্বোপরি স্থানীয় কারখানায় তৈরি দেশীয় পণ্য হওয়ায় এর প্রতি ছিল মানুষের আলাদা ভালোলাগা। কিন্তু প্রথম দিকে কিছুটা কারিগরি ত্রুটি থাকার কারণে এটি প্রযুক্তিপ্রেমীদের কিছুটা হতাশ করে। পরবর্তী সময়ে অবশ্য সেই ত্রুটি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। বর্তমানে সারা দেশেই রয়েছে এর ব্যাপক চাহিদা। কিন্তু এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে শুধুমাত্র মূলধনের অপ্রতুলতার কারণে এর উত্পাদন মুখ থুবড়ে পড়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
স্বল্পমূল্যের প্রযুক্তি পণ্য বিশেষত ল্যাপটপ আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া তথা রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের পথে ‘দোয়েল’ হতে পারে একটি চমত্কার মাধ্যম। তাই প্রান্তিক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তিকে পৌঁছে দেওয়া এবং সেইসঙ্গে জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নের কথা বিবেচনায় রেখে ‘দোয়েল’ উত্পাদন অব্যাহত রাখার কোনো বিকল্প নেই। তাই আমরা আশা করবো বাংলাদেশ টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) দ্রুতই তার মূলধন সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে এবং পূর্ণ মাত্রায় ‘দোয়েল’ উত্পাদন অব্যাহত রাখবে। একইসঙ্গে সারা দেশে জেলা পর্যায়ে ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে এর সহজ প্রাপ্তি ও বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করবে।
তারেক আজিজ, শিক্ষার্থী,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,
ময়মনসিংহ
