বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই সরকার অবৈধ। তাদের কোন নৈতিক অধিকার নেই সরকার পরিচালনা করার। তারা নিজেরা সংবিধান তৈরি করেছে এবং এই সংবিধানে মিনিমাম (ন্যূনতম) যতটুকু নৈতিকতা রক্ষা করা দরকার তাও করেনি। এই সরকারের সামনে একটি পথ খোলা আছে, পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেয়া। তা না হলে গণঅভ্যুত্থানে বিদায় হবে।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তারেক রহমানকে নিয়ে আশিক ইসলাম নির্মিত তথ্য-চলচ্চিত্র ‘এ ম্যান ক্যান চেঞ্জ এ নেশন’ প্রজেক্টরে প্রদর্শিত হয়। দি পলিটিক্যাল থট অব তারেক রহমান’ শীর্ষক বই-এর মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভার আয়োজন করে এমবিএ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ম্যাব)। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আলমগীর। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর মনিরুজ্জামান মিয়া, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন, সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে, যে সরকার নিজেরাই সভা সমাবেশ করে। আর আমরা সভা সমাবেশ করতে অনুমতি পাই না। এটা গণতন্ত্র হতে পারে না এবং কিছুতেই এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে পারে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে আমরা কিছু জানলাম না। রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিবও এ বিষয়ে কোন বক্তব্য দেননি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সংসদে গিয়ে বললেন, রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়েছেন, তিনি তাকে রাষ্ট্র পরিচালনা করার অনুমতি দিয়েছেন। পৃথিবীর গণতন্ত্রের ইতিহাসে কোথাও এমন নজির নেই। তিনি বলেন, এই যদি চলতে থাকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা থাকবে না। তারেক রহমান যে গণতন্ত্র, ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেন, তা পেতে চাইলে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই গণতন্ত্র হত্যাকারী সরকারকে সরাতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই।
