কাল ওয়াশিংটনে টিকফা চুক্তি সই

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০১৩, ২৩:১৪
অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি (টিকফা) সই করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামীকাল সোমবার ওয়াশিংটনে বহুল আলোচিত এ চুক্তিটি সই হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তি সইয়ের পর পর টিকফা কাউন্সিলের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বাণিজ্য সচিব মাহবুব আহমেদ বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে সই করবেন। আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে চুক্তিতে সই করবেন দেশটির বাণিজ্য দপ্তরের সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা। ইতিমধ্যে মাহবুব আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল ওয়াশিংটনে গেছে। উল্লেখ্য, উভয় পক্ষের জাতীয় আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হওয়ার শর্ত সাপেক্ষে টিকফার খসড়া গত ১৭ জুন বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়। জানা গেছে, উভয় দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ়, বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা হচ্ছে টিকফা। খসড়ায় বলা হয়েছে, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য উভয়পক্ষের মধ্যে একটি খোলামেলা ও দৃষ্টিগ্রাহ্য ভালো পরিবেশ তৈরি করা হবে। সমপ্রসারিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে লাভবান হবে উভয়পক্ষ এবং তারা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পথে প্রতিবন্ধকতা এবং রক্ষণশীল উপাদানগুলো কমিয়ে আনবে। টিকফার খসড়ায় উভয়পক্ষের সেবা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অশুল্ক বাধা দূর করা, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) আওতায় মেধাস্বত্ব আইন বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মূল নীতি মেনে উভয় দেশের শ্রম অধিকার বাস্তবায়ন এবং পরিবেশের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ করতে পরিবেশ আইন মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, জাতিসংঘের সদস্য হিসাবে উভয়পক্ষই জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী সনদের প্রতি আনুগত্য দেখাবে। বিশেষ করে, সনদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ-সম্পর্কিত ধারাগুলো অনুসরণ করতে হবে। দেশীয় ও বৈদেশিক উভয় ক্ষেত্রেই বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে প্রবৃদ্ধি বাড়ে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাত তথা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। এতে আরও বলা হয়েছে, চুক্তি বাস্তবায়নে একটি ফোরাম গঠন করা হবে, যে ফোরাম বছরে কমপক্ষে একবার বৈঠক করবে।