গৌরনদীতে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ২০:৫৯
বরিশালের গৌরনদীতে সালিশ বৈঠকে উপস্থিত না হওয়ায় শুক্রবার রাতে স্থানীয় পৌর মেয়র ক্ষুব্ধ হয়ে মামলার বাদির দোকান বন্ধ করে আসামির দোকান খুলে দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, গত বুধবার সকালে গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ডের মোটর মেকার কবির হোসেন খানকে চোরাই মাল ক্রয়ের অভিযোগ এনে পার্শ্ববর্তী আলম ট্রেডার্সের মালিক আলম ও তার সহযোগীরা শেকল দিয়ে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে। ৩ ঘন্টা পর পুলিশ কবিরকে উদ্ধার করে গৌরনদী হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তীতে তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর যুবলীগের কতিপয় নেতা-কর্মী আলমের দোকান বন্ধ করে দেয়। বুধবার রাতে কবির বাদি হয়ে গৌরনদী থানায় আলমসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। বিষয়টি গৌরনদীর পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান মীমাংসার উদ্যোগ নেন। শুক্রবার রাতে পৌর ভবনে সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে মামলার বাদি কবির হোসেন উপস্থিত না হওয়ায় মেয়র ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে আসামি আলমের দোকান খুলে দিয়ে কবিরের দোকান বন্ধ করে দেন। কবির মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের জানান, আমি গুরুতর অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। এজন্য সালিশিতে উপস্থিত থাকতে পারিনি। এ ব্যাপারে মেয়র হারিছুর রহমান জানান, কবির সালিশিতে না আসায় আমি তাকে অপরাধী মনে করে আলমের দোকান খুলে দিয়েছি। তিনি কবিরের দোকান বন্ধ করার কথা অস্বীকার করেন।