তারপরও গর্বিত ইয়াসির আলী

আপডেট : ২১ মে ২০১৯, ২১:০০

স্পোর্টস রিপোর্টার

আয়ারল্যান্ডে প্রথমবার ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি জিতে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচ না খেলতে পারলেও জাতীয় দলের হয়ে এই গৌরবের অংশীদার হয়েছেন ফরহাদ রেজা, তাসকিন আহমেদ, ইয়াসির আলী রাব্বি ও নাঈম হাসানরা। এই চার ক্রিকেটার শুধু ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্যই দলে ডাক পেয়েছিলেন।

প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পেয়েই ইতিহাসের অংশ হয়েছেন ইয়াসির আলী। তাই ম্যাচ খেলার সুযোগ না পেলেও গর্বিত এই তরুণ ব্যাটসম্যান। আয়ারল্যান্ড থেকে ফিরেই হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন তিনি। গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের মধুর স্মৃতির রোমন্থন করেছেন চট্টগ্রামের এই ক্রিকেটার।

গতকাল ইয়াসির আলী বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। বাংলাদেশ অনেকদিন পরে এমন একটা ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতেছে, আমার মনে হয় প্রথম এটা। আমি দলের একজন ছিলাম, এটা আমার জন্য অনেক গর্বের একটা বিষয়।’

বিপিএলে চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে সবার নজর কেড়েছিলেন ইয়াসির আলী। এই পারফরম্যান্সের সুবাদেই ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে ডাক পেয়েছিলেন তিনি। দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় না খেলার কষ্ট মনে আসেনি এই তরুণের। ২৩ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান গতকাল বলেছেন, ‘সবকিছু চিন্তা করলে আসলে দল আগে। এটা কোনো ফ্র্যাঞ্জাইজি লিগ না, দেশের স্বার্থ। দেশের জন্য যেটা ভালো আমার মনে হয় ওইটাই করেছে। আমার এখানে নেতিবাচক কোনো মনোভাব নেই।’

ভবিষ্যতের ব্যাটসম্যান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে ইয়াসির আলীকে। ঘরোয়া ক্রিকেটে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলেছেন। তবে জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে থাকার অভিজ্ঞতা এবারই প্রথম পেলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে গতকাল চট্টগ্রামের এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘জাতীয় দলের সাথে ছিলাম আমার দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল। কারণ এমন অভিজ্ঞতা আগে কখনো হয়নি। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সাথে ড্রেসিং রুম শেয়ার করা, ওরা কিভাবে খেলে, এতজন জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সাথে আমার আগে কখনো থাকা হয়নি। ওদের কাছ থেকে যে জিনিসগুলো শিখতে পেরেছি, যেভাবে ওরা খেলে, যেভাবে ওরা মাইন্ড সেট আপ করে এই জিনিসগুলো আমার ভবিষ্যতে অনেক কাজে লাগবে।’

এইচপি ক্যাম্পে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত রাখাই এখন ইয়াসির আলীর টার্গেট। জাতীয় দলের প্রয়োজনে যেন সাড়া দিতে পারেন এবং নিজের সেরাটা দিতে পারেন। মিডল অর্ডার এই ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘আমি প্রস্তুতিটা এইচপিতেই করে নিতে পারছি, এখন যদি ক্যাম্পটা না থাকতো তাহলে হয়ত বাসায় থাকতাম, চিটাগংয়ে থাকতাম, হয়ত অনুশীলন করতাম কিন্তু ঠিকভাবে অনুশীলনটা হতো না। এইচপি ইউনিটের সাথে আছি, এখানে যেভাবে অনুশীলন করতে পারব আমার প্রস্তুতিটা ওইরকমই ভালো হবে। কারণ আমি এখানে যেভাবে অনুশীলন করতে চাইব আমাকে সেভাবে অনুশীলন করাবে।’