বর্ধিত ৩ ঘণ্টার মধ্যে অধিবেশনের শুরুতে আধা ঘণ্টা, অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে আধা ঘণ্টা মোট এক ঘণ্টা খেয়েছে ঢাকা কেন্দ্রের সংবাদে। সংবাদে আপত্তি নেই। ঢাকা কেন্দ্রের অনুষ্ঠান আমরা সেই চ্যনেলে গেলেই দেখতে পাই, তাহলে কেন নাটকসহ অন্যান্য অনুষ্ঠান এখান থেকে নিয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে সমপ্রচার করা হয়? চট্টগ্রাম কেন্দ্রের আর্কাইভে এমন অনেক আকর্ষণীয় বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান রয়েছে যা ঢাকাকেও হার মানায়। বর্তমানে দুর্দান্ত অনুষ্ঠান নির্মাণের সক্ষমতা রয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠান নির্মাণ করলে অনুষ্ঠান স্বল্পতা থাকার কথা নয়। কোনো কারণে তা ঘটলে, আর্কাইভ থেকে নিজেদের নির্মিত অনুষ্ঠান সমপ্রচার করা হোক। ঢাকা থেকে এনে অনুষ্ঠান সমপ্রচার করা মানে চট্টগ্রামের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা। চট্টগ্রাম অঞ্চলকে তুলে ধরার সুযোগ ও অধিবেশনের সময় নষ্ট করা। একটি ব্যাপারে আশ্চর্য হতেই হয় যে, আউটডোর লোকেশনে নাটক নির্মাণ এখনো শুরু করতে না পারা। চট্টগ্রামে নাট্যগোষ্ঠী প্রচুর, এদেরকে সুযোগ দিন। আর একটা ব্যাপার হতাশাজনক যে, এখনো টেলিফোনে দর্শকদের সরাসরি অংশগ্রহণে শিল্পীদের নিয়ে গান, ডাক্তারকে নিয়ে রোগ জিজ্ঞাসা শুরু করতে না পারা। ঢাকা থেকে এতগুলো সংবাদ প্রচারের পরও কোন যুক্তিতে সেই সংবাদগুলো আবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সংবাদে দেখানো হচ্ছে। তা বাদ দিলে মহানগরীর সাংস্কৃতিক সংবাদ, মেয়র মহোদয় ও আগত মন্ত্রীদের মিটিং আরো ফলাও করে প্রচার করা যায়। বাংলাদেশ বেতার খুলনা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রের স্থানীয় সংবাদ অনুসরণ করুন।
জি এন সিদ্দিকী রুমী
ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ
