এসএসসি ও এইচএসসিসহ পাবলিক পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল করতে না পেরে অনেক শিক্ষার্থীই খাতা চ্যালেঞ্জ করে থাকে। এবার মাধ্যমিকে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯১৯ জন শিক্ষার্থী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৯১১টি উত্তরপত্রের পুনঃমূল্যায়ণ চেয়েছে। এতে প্রতি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা করে শিক্ষাবোর্ডগুলো আয় করেছে ৪ কোটি ৬২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৫ টাকা। আবেদনকারীদের মধ্যে জিপিএ-৫ না-পাওয়া শিক্ষার্থী যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে কোনো বিষয়ে কৃতকার্য না হওয়া শিক্ষার্থী। তাদের ধারণা বোর্ড কর্তৃপক্ষ খাতাগুলো পুনঃমূল্যায়ণ করে থাকেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে পুনঃমূল্যায়ণ নয় বরং পুনঃনিরীক্ষণ হয়ে থাকে। ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান, উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে চারটি বিষয় দেখা হয়। সেগুলো হলো—সবকটি উত্তরপত্রে নম্বর দেওয়া হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে তুলতে ভুল হয়েছে কি না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটে বৃত্ত ভরাট হয়েছে কি না। শিক্ষার্থীরা এসব বিষয়ে অবগত না হয়েই ভালো ফলাফলের আশায় উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করে হাজার হাজার টাকা গচ্চা দেয়। এবং উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তির ক্ষেত্রে কলেজ পছন্দে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকে। এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের উচিত উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করা। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড ও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
নূর মোহাম্মদ
শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
