গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জেলার বারহাট্টা এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোন্দল, তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে জেলার কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার অবস্থানের কারণে উভয় উপজেলার চেয়ারম্যান পদ হারাতে হলো। এদিকে এর প্রভাব আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য নেত্রকোনা সদর নির্বাচনেও পড়বে বলে দলীয় নেতারা আশংকা করছেন। কারণ নেত্রকোনাতেও বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। বারহাট্টা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলেন আওয়ামী লীগের খায়রুল কবির খোকন। এবার তৃণমূলে প্রার্থী নির্বাচনে মাইনুল হক কাসেম জয়লাভ করেন। তৃণমূলে জালাল উদ্দিন তালুকদার দ্বিতীয় এবং খায়রুল কবির তৃতীয় হন। কিন্তু তৃণমূলের বাহিরে এই দু’জন নির্বাচনে অবতীর্ণ হন। তৃণমূল প্রার্থীর পক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক আশরাফ আলী খান খসরুসহ অনেকেই প্রচার চালালেও ঢাকায় অবস্থানরত বিদ্রোহী প্রার্থী জালাল উদ্দিন তালুকদারের পক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা প্রচার চালায় এবং খায়রুল কবির দলের অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে নির্বাচন করায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল প্রার্থী মাইনুল হক পরাজিত হন। এদিকে কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন আওয়ামী লীগের ইফতিখার উদ্দিন পিন্টু। তিনি এমপি নির্বাচিত হওয়ায় এবার তৃণমূলে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান মনোনীত হন আসাদুল হক ভুঁইয়া। কিন্তু তার বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সম্পাদকসহ কিছু নেতা অবস্থান নেয়াতে এবং তারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা না চালানোতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর ভাগ্যে পরাজয় জুটে। এই নিয়ে কেন্দুয়া আওয়ামী লীগে এখনো ক্ষোভ বিরাজ করছে।
