কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার কয়া ইউপি চেয়ারম্যান জামিল হোসেন বাচ্চু হত্যা মামলার ১২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতার হোসেন। গতকাল বুধবার আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ইব্রাহিম, হাবিল, শামীম, ইসলাম, জিয়ার, ডাবলু, সাহেব, জাহাঙ্গীর ওরফে বাবু, রাজ্জাক, আরিফ খান মিঠু, মানিক ও মুকুল হোসেন। আসামি ইব্রাহিমকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছর এবং বাকি ১১ আসামির প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। রায়ে অপর ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৫ জুলাই বাড়ি ফেরার পথে কুমারখালি উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের হাতির শাকো রেললাইন এলাকায় সন্ত্রাসীরা গুলি করে কয়া ইউপি চেয়ারম্যান জামিল হোসেন বাচ্চুকে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বতর্মান কয়া ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম স্বপন বাদি হয়ে কুমারখালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমারখালি থানার এসআই ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ৪৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই দণ্ড প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট এনামুল হক।
