রাজশাহীর বাঘায় পাঁচ মাস বেতন পাননি ১১৯ জন শিক্ষক। বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের ঘোষণা দেয়ার পর থেকে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে একদিকে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, অপরদিকে উপজেলার ৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১১৯ জন শিক্ষক মানবেতর জীবন- যাপন করছেন।
সরকার গত বছরের ১ জানুয়ারি দেশের সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করার ঘোষণা দেন। এ ঘোষণার আওতায় পড়েন বাঘার ৩০ বিদ্যালয়ের ১১৯ জন শিক্ষক। যাদের পরবর্তী সময় নতুন স্কেলে বেতন পাবার কথা। অথচ অদ্যাবধি সে বেতন পাওয়া তো দূরের কথা, পূর্বে বেসরকারি থাকা অবস্থায় যে সামান্য ভাতা পেতেন সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাঘা উপজেলা সদরে এসে দেখা যায়, চারজন প্রধান শিক্ষক স্কুল ফেলে উপজেলা চত্বরে আমতলায় গল্প করছেন। এসময় ফতেহপুর পলাশী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, গত অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ মাস তিনিসহ উপজেলার ১১৯ জন শিক্ষক বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করেছেন। এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসে এসেছেন। অনুরূপ কথা বলেন, অপর তিন শিক্ষক মোক্তার হোসেন, মিজানুর রহমান ও আমিনুল হক। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইয়াকুব আলী বললেন, আমি সরকারি চাকরি করি। তাই সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই না। তবে সরকারের ঘোষণা বাস্তবায়ন না হওয়ায় শুধু বাধা নয়, সারাদেশের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।
