প্রথম বন্ধু :কিরে আজ অফিসে যাবি না দোস্ত?
দ্বিতীয় বন্ধু :আমার চাকরিতো চলে গেছে।
প্রথম বন্ধু :কীভাবে?
দ্বিতীয় বন্ধু :মশা মেরে!
প্রথম বন্ধু :কী বলছিস! মশা মেরে!
দ্বিতীয় বন্ধু :হ্যাঁ, মশা মেরে। মশাটা যে স্যারের গালেই বসেছিল!
করিম সাহেব ইদানীং কিছুতেই আর তেমন উত্সাহ পান না। বরং কারণে অকারণে প্রায় সময়ই মনমরা হয়ে থাকেন। এই দেখে তার এক বন্ধু তাকে জোর করে নিয়ে গেলেন শহরের খ্যাতনামা এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে। সেখানে যাওয়ার পর—
বন্ধু :ডাক্তার সাহেব আমার বন্ধুটি সারাক্ষণই মনমরা হয়ে থাকে। ওকে আপনি এমন একটা ওষুধ দিন যেন ওর মধ্যে পুরোপুরি ‘ফাইটিং মুড’ এসে যায়।
বন্ধুর কথা শুনে ডাক্তার হাতের পাঞ্জা মুষ্ঠিবদ্ধ করে বললেন, ‘এ জন্য ওষুধ লাগবে কেন? আমার একটা ঘুষি খেলেই দেখবেন উনি সেটা ফিরিয়ে দেবার জন্য ফাইটিং মুডে চলে এসেছেন!’
বিচারক :তুমি দিনে-দুপুরে চুরি করতে গেলে কেন?
চোর :কী করব স্যার, রাতে যে আমাকে ঘুমাতে হয়!
শিক্ষক :তোমাদের মধ্যে কেউ কি হাতির চামড়া দেখেছো?
ছাত্র :আমি দেখেছি, স্যার।
শিক্ষক :আচ্ছা! কোথায় দেখেছো তুমি?
ছাত্র :কেন স্যার, হাতির গায়ে!
