নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের এস সিক্সটি ক্যানেলের দু’ধারে লাগানো সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগে জানা গেছে, উপকারভোগী সমিতির সেক্রেটারি আতাউর রহমান রাতের আঁধারে একের পর এক শতাধিক মূল্যবান গাছ কেটে সাবাড় করেছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭টি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে স্থানীয় করাত কলের মালিক তপন কুমার সরকারের কাছে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে। গাছ কাটার বিষয় জানাজানি হলে কিশোরীগঞ্জ উপজেলা ফরেষ্টার মুকুল মিয়া করাত কল থেকে ২০ সিএফটি গাছের গুঁড়ি উদ্ধার করে ওই বনায়ন কর্মসূচির সভাপতি কুলোচন্দ্র মেম্বরের জিম্মায় রাখে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। বনায়ন কর্মসূচি এলাকার সুধীর চন্দ্র (৩৬) জানান, বাফলা থেকে বড়ভিটা পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার বনায়ন কর্মসূচির অর্ধেক কেটে বনভূমি উজাড় করেছে আতাউর রহমান। এ ব্যাপারে বড়ভিটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলার রহমান সরকারি গাছ কাটার কথা স্বীকার করে দোষী ব্যক্তির শাস্তি দাবি করেন। বন কর্মকর্তা মুকুল মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি আতাউর রহমানের সাথে আঁঁতাতের কথা অস্বীকার করেন এবং বলেন, ২০ সিএফটি গাছের গুড়ি উদ্ধার হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়াও চলছে।
