গফরগাঁওয়ের পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে কিছু অসাধু পাঠ্যবই ব্যবসায়ী সরকার নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বই অবাধে বিক্রি করছেন। এসব বই কিনতে লাইব্রেরিগুলোতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
২০০৯ সালে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত নোট বই বিপণন, প্রদর্শন, প্রস্তুতকরণ, মুদ্রন ও প্রকাশনা নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে উপজেলার এক শ্রেণীর লাইব্রেরী মালিকরা ইতিমধ্যে কোটি টাকার নিষিদ্ধ নোট বইয়ের মজুদ গড়ে তুলেছেন। প্রকাশ্যেই বিক্রি করছেন চড়া দামে। সরকার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করলেও বিভিন্ন প্রকাশনীর ৩য় শ্রেণীর এক একটি গাইড বই বিক্রি হচ্ছে ৩৯৯ থেকে ৪২৫ টাকায় এবং ৪র্থ শ্রেণীর গাইড বইয়ের দাম হচ্ছে ৪৫২ থেকে ৪৯০ টাকা। পৌরশহরের আদর্শ শিশু নিকেতনের শিক্ষক এইচ কবির টিটো বলেন, প্রশাসন কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেয়ায় কিছু ব্যবসায়ী নিষিদ্ধ ঘোষিত নোট ও গাইড অবাধে বিক্রি করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল বারী বলেন, কেউ নিষিদ্ধ ঘোষিত নোট ও গাইড বই বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কাউখালীতে নিষিদ্ধ গাইড বই অবাধে বিক্রি হচ্ছে
কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা জানান, পিরোজপুর কাউখালীতে সর্বত্র সরকারের নিষেধ উপেক্ষা করে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বই। সরকার সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি চালু করে শিক্ষাক্ষেত্রে যে অগ্রণী ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে তা ভেস্তে যাওয়ার জন্য অসাধু পুস্তক প্রকাশনী ও বিক্রেতারা অবৈধভাবে টাকার নেশায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ নষ্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। উপজেলা শহর ও বিভিন্ন হাট-বাজারের প্রত্যেকটি বইয়ের দোকানে প্রথম শ্রেণী থেকে শুরু করে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত অবাধে বিত্রুি হচ্ছে নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বই। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকের সাথে কথা হলে তিনি জানান, বর্তমান সরকার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল পদ্ধতিতে শিক্ষকদের মাধ্যমে বইয়ের টেবিলে মনোযোগী হওয়ার জন্য নোট গাইট বই নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের এ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের অসাধু শিক্ষক পুস্তক ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে উপঢৌকন ও নগদ টাকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের গাইট বই ক্রয় করতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
