দুই প্রতিবন্ধীর সংসার চলে ৬শ’ টাকায়

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০১৪, ২১:৫৭
পঞ্চাশোর্ধ্ব মালেকা বেওয়া শ্রবণ প্রতিবন্ধী। তার একমাত্র ছেলে ইউনুছ আলী শারীরিক প্রতিবন্ধী। দু’জনই শ্বাসকষ্টের রোগী। বড় মেয়ে শমলা আর মেজো মেয়ে রহিমাকে বিয়ে দিলেও রহিমা তালাকপ্রাপ্তা। ওরা এখন ঢাকায় ঝিয়ের কাজ করে। হতভাগা মা থাকেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী আন্ধারুপাড়া গ্রামে। জানা যায়, ইউনুছ আলীকে (২৬) গর্ভে রেখে তার বাবা ইউছুব আলী মারা যায় দুই যুগ আগে। অভাব-অনটন আর দুঃখের সাথে নিত্যদিন চলে ওদের লড়াই। ছেলের পঙ্গু ভাতা ৩শ’ আর মায়ের বিধবা ভাতা ৩শ’ মোট ৬শ’ টাকা দিয়ে চালাতে হয় ওদের সংসার। শ্বাসকষ্টের রোগী মা-ছেলের অভাবের সংসারে আহার যোগানোই যখন দায়, তখন ওষুধ কেনা দুঃস্বপ্নই বটে। নানা জনের কাছ থেকে টাকা চেয়ে কেনা ইউনুছের হুইল চেয়ারটি অনেকদিনের পুরানো। এটিও এখন নষ্ট হওয়ার পথে। ১০ কাঠা জমি ছিলো। ইউনুছের চিকিত্সার জন্য পাঁচ কাঠা বিক্রি করেও কোন ফল পায়নি। পঙ্গু আর বিধবা এই দুটো ভাতা ছাড়া আর কোন সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে না ওরা।