১৫ মার্চ তৃতীয় দফা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নবীনগর উপজেলার আ.লীগ ও বিএনপি’র ৭ প্রার্থীসহ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ আর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন। প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। আ’লীগ ও বিএনপি’র মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। আ’লীগ ও বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলীয় প্রার্থীর জন্য ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। আ. লীগের ভোটের মাঠে ৫ প্রার্থী কঠিন বাধা। কাউন্সিলের মাধ্যমে সাইফুল ইসলাম সোহেলকে প্রার্থী নির্ধারণ করায় তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান জিয়াউল হক সরকার (ফেজ-টুপি) প্রতীক নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। বিএনপি দুই প্রার্থীর কেউ কাউকে ছাড় না দিয়ে জোরালোভাবেই মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন- উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শফিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক, সাবেক পৌর প্রশাসক মোঃ মলাই মিয়া। বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মোঃ আনোয়ার হোসেনের সমর্থন নিয়ে দলীয় প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার শফিকুর রহমান (দোয়াত-কলম) ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। অপরদিকে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য কৃষক নেতা তকদির হোসেন মোঃ জসিম, বিএনপি নেতা আইন উপদেষ্টা গোলাম সারোয়ার, ও বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সমর্থনে প্রার্থী মোঃ মলাই মিয়া (মোটরসাইকেল) প্রতীক নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। উভয়েই নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন। অপরদিকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আইন বিষায়ক সহ-সম্পাদক এডভোকেট এনামূল খায়ের বেনু (টেলিফোন) প্রচার-প্রচারণা করছেন। মনিরুজ্জামান মনির (চিংড়ি), হুমায়ুন কবির (ঘোড়া), ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারফ হোসেন সরকার (তালা), সেলিনা মাহাবুব আলম (পদ্মফুল), বিএনপি থেকে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নাজমূল করিম (উড়োজাহাজ) ও মোছেনা বেগম (প্রজাপতি), ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মেহেদী হাছান (ব্যাটারি), স্বতন্ত্র প্রার্থী রাশেদ কাদের (কাপ-পিরিচ), কবির আহম্মেদ (হেলিকপ্টার), জামায়াতে ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট এ.কে.এম আশরাফুল আলম (মাইক) প্রতীক নিয়ে জোরে-শোরে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
