ছাত্রলীগের বিতর্কিত কমিটি

পদবঞ্চিত নেত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট : ২১ মে ২০১৯, ২২:২৯

সদ্যঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে পদ না পেয়ে আন্দোলন করেছিলেন ছাত্রলীগ নেত্রী জারিন দিয়া। এর জেরেই বহিষ্কার হওয়ায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন সংগঠনটির বিগত কমিটির এই সদস্য। গত সোমবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে মধুর ক্যান্টিনে হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে বহিষ্কারের আদেশ প্রত্যাখ্যান করেছে পদবঞ্চিতরা। তাদের দাবি, এটি প্রহসন, হাস্যকর সিদ্ধান্ত। এখানে ‘মূল   কালপ্রিট’দের কোনো শাস্তি দেওয়া হয়নি।

জানা গেছে, সোমবার রাতে আজিমপুরে বোনের বাসায় জারিন দিয়া অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিত্সা দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন। তবে তিনি এখন শঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা। এর আগে গত সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ থেকে জারিন দিয়াকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। পদবঞ্চিত হয়েও উল্টো বহিষ্কার হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন দিয়া। এছাড়া ছাত্রলীগ সভাপতি  রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে উদ্দেশ্য করেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্টও দিয়েছিলেন তিনি।

বহিষ্কারাদেশের বিষয়ে ছাত্রলীগের বিগত কমিটির নেতা রাকিব হোসেন বলেন, এটি প্রহসনের সিদ্ধান্ত। যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল সেটিও লোক দেখানো ছাড়া আর কিছুই না। তদন্ত কমিটির কেউ আমাদের সঙ্গে (যারা হামলার শিকার হয়েছি) কোনো যোগাযোগ করেনি।

হামলার ঘটনায় স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে জিয়া হল ছাত্রলীগ কর্মী সালমান সাদিককে। আর সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে—বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী মুরসালিন অনু, জিয়া হল ছাত্রলীগের কর্মী সাজ্জাদুল কবির, কাজী সিয়াম ও সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য জারিন দিয়াকে।