বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারেক রহমান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হলে এমন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, যাতে সরকার জনগণের দাবি মেনে নিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। তিনি বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমেই তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অষ্টম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন ।
মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে দেশের গণতন্ত্র হচ্ছে আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র। সত্যিকারের গণতন্ত্র আজ ‘আত্মহত্যা’ করেছে। তিনি বলেন, শুনেছি ৫০ হাজার পুলিশ নিয়োগ দেয়া হবে। যাতে তাদের ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায়। দেশ আজ ‘পুলিশ স্টেটে’ পরিণত হয়েছে। জনসভা করতে দেয়া হয় না। সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয় না। সরকার অক্টোপাসের মতো গণতন্ত্রের গলা টিপে ধরেছে। তিনি অরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করছে কখন তারা মুক্তকণ্ঠে কথা বলবে। শুধু বাংলাদেশের মানুষ নয়, গোটা পৃথিবীর মানুষ জানে জোর করে কিছুদিন ক্ষমতায় থাকা গেলেও চিরস্থায়ীভাবে থাকা যায় না।
এক-এগারোতে খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে বাংলাদেশে বিরাজনীতিকরণ করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, তারেক রহমানকে রেখে খালেদা জিয়াকে মাইনাস করা যাবে না বলেই শহীদ জিয়ার হত্যাকারীরা সেদিন তাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেছিল।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ওবায়দুল হক নাসির প্রমুখ।
