এক সর্দার ভাবলেন যে তিনি তার প্রেমিকাকে কতটা ভালোবাসেন তার প্রমাণ দেওয়ার জন্য হাত কেটে প্রেমিকার নাম লিখবেন। যথারীতি একদিন সাহস করে আরেক বন্ধর সহায়তা নিয়ে হাত কেটে নাম লেখার কাজটিও শেষ করলেন। কিন্তু পুরো সময়টাতে বেশ শক্ত হয়ে থাকলেও নাম লেখা শেষ হওয়ার পর কাটা হাতের দিকে তাকিয়েই হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলেন সর্দার। এদিকে ঘটনার আকস্মিকতায় হতচকিত বন্ধুটি সর্দারের কাছে আস্তে করে জানতে চাইলো, ‘কি রে হাতে খুব ব্যথা করছে না কি?’
উত্তরে সর্দার বললেন, ‘না রে, এতক্ষণ এত কষ্ট করে নাম লিখলাম অথচ এখন দেখছি নামের বানানটাই ভুল হয়েছে। ই...ই...ই...’
প্রথম বান্ধবী :জানিস, আমি আমার স্বামীকে আজও তেমনি ভালোবাসি যেমন ভালবাসতাম আমাদের বিয়ের প্রথম দিন থেকে।
দ্বিতীয় বান্ধবী :তাই? কিন্তু তোকে যে একটু আগেই দেখলাম ওর সাথে ঝগড়া করছিস।
প্রথম বান্ধবী :সেটা তো আমরা বিয়ের প্রথম দিনও করেছিলাম!
এক লোক একটি এন্টিক শপে গিয়েছে কিছু কিনতে। ঘুরতে ঘুরতে একটা পাথরের মূর্তি তার নজরে পড়ল যেখানে একজন যোদ্ধা একটা ঘোড়ার উপর বসে আছে। কিন্তু মূর্তিটা অনেক পুরনো, তাই এর অবস্থাও খারাপ হয়ে গেছে। হাতের তলোয়ারটা আধা ভাঙা, যোদ্ধার নাকটা পর্যন্ত কিছুটা ভেঙে গেছে। হাতের সামনে ধরে রাখা ঢালটার অবস্থাও খারাপ। তবে মূর্তির উপর এক জায়গায় খোদাই করে লেখা ‘বিজয়ী’ শব্দটা বেশ জ্বলজ্বল করছে। এই দেখে লোকটা মজা করে দোকানদারকে বলল, ‘এই যদি হয় বিজয়ীর মূর্তির অবস্থা তাহলে পরাজয়ীর কোনো মূর্তি থাকলে তার অবস্থা না জানি কি হতো!’
