ফুল কে না ভালোবাসে! ফুলের সৌরভ, রং, কোমলতা এ সবকিছুই বুঝি প্রকৃতির এক অপার সৃষ্টি। ঘরটাকে প্রকৃতির খুব কাছাকাছি করে সাজাতে তাই ফুল এক অপরিহার্য উপকরণ। ফুলের আছে প্রাকৃতিক স্নিগ্ধতা, যা অনায়াসে আপনার ঘরে এনে দেবে একধরনের শীতল অনুভব। রং বুঝে ফুল ব্যবহারে আপনি সহজেই ঘরের ইন্টেরিয়রে ভিন্নতা নিয়ে আসতে পারেন
ফুলের নানা রকম ব্যবহার আপনার ঘরের শোভা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঘরে সৌরভও যুক্ত করবে। কিন্তু ঘরের রং, আকার আর ধরন বুঝে চেষ্টা করুন ফুল ব্যবহার করতে। শোবার ঘরে এমন ফুল রাখবেন না যা প্রচণ্ড রকম গন্ধ ছড়ায়। যেমন ধরুন কাঁঠালচাঁপা, বকুল ইত্যাদি। বরং শোবার ঘরে অর্কিড রাখতে পারেন। অর্কিড অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকে। শোবার ঘরে লম্বা স্টিকের ফুল ভালো লাগবে। সেক্ষেত্রে রজনীগন্ধার বদলে গ্ল্যাডিওলাস সাজাতে পারেন। শোবার ঘরে মাঝারি আকৃতির চিকন ফুলদানি ব্যবহার করুন। ঘরের সাথে বারান্দা থাকলে সেখানে ঝুলন্ত কিছু ফুলদানিতে অর্কিড রাখতে পারেন। বসার ঘরের জন্য দোলন চাপা, গ্ল্যাডিওলাস, রজনীগন্ধা রাখতে পারেন। লম্বা ফুলদানি ড্রয়িংরুমের সাথে মানানসই। ডাইনিং রুম সাজাতে একটু গাঢ় রঙের ফুল ব্যবহার করুন। যেমন গোলাম, টগর, জবা এমন সব ফুল। ঘরগুলো বাদেও এমন কিছু জায়গা আছে বাড়িতে যেখানে একটা ফুলদানি রাখলে পুরো ঘরের চেহারা বদলে যাবে। যেমন ঘরের প্রবেশের করিডোর। করিডোরে প্রবেশমুখে বড় ফুলদানি কিংবা কাঠের টুলের মতো তৈরি করে তার উপর চিকন ফুলদানি সাজিয়ে দিন। সেখানে রাখুন গোলাপ আর রজনীগন্ধা মিশিয়ে তোড়া। ডাইনিং হলের বেসিনের পাশে সাজিয়ে দিন কিছু গ্ল্যাডিওলাসের স্টিক। হালকা গোলাপি, কিংবা হলুদ ফুল এখানে ভালো লাগবে। তবে ফুলের রং বাছতে চেষ্টা করুন ঘরের বাদবাকি রঙের তুলনায় একটু কন্ট্রাস্ট আনতে।
কিছু ডেকোরেটিভ
সেন্টার টেবিলে ফুল রাখলে ফুলদানিতে একটা বড় ফুল মাঝখানে রেখে পাশে ছোট ফুল গেঁথে দিন।
ডাইনিং টেবিলের পিছনে দেওয়াল থাকলে সবুজ পাতার ব্যাকগ্রাউন্ডে ফুলগুলোকে ছোট থেকে বড় অ্যারেঞ্জ করে রাখুন।
আর্টিং করা দেওয়াল ফুলগুলো বাইরের দিকে ঝুলিয়ে দেবেন।
