ডায়েট সাথে আরও কিছু

আপডেট : ১০ মার্চ ২০১৪, ১৮:৪৮
দৈনন্দিন জীবনের রুটিনে কি কিছুটা পরিবর্তন এসেছে? অথবা নিজের জন্য কিছু আলাদা সময় মিলেছে? এই সময়কে উপভোগ করতে গিয়ে নিজের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছেন না তো আবার? নিজের পরিবর্তিত রুটিনে স্থায়ী হতে গিয়ে নিশ্চয়ই সবার প্রথমেই শারীরিক কসরতটাকেই বাদ দিয়েছেন? প্রতিনিয়তই আমরা নিজেদের প্রয়োজনে হাজারো জিনিস আমাদের জীবন থেকে বাদ দিয়েছি যা আমাদের নিজেদের জন্য অত্যন্ত দরকারি। আর অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি অস্বাস্থ্যকর কিছু খাবারদাবারে যা আমাদের সাধের শরীরকে নিয়ে যাচ্ছে সর্বনাশের দিকে। এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করার কিছু টিপস নিয়ে লিখেছেন ইশরাত বিনতে আফতাব  যতই ডায়েট করুন না কেন কিছুটা বাধা নিয়মে থাকুন সবসময়ে। দেখবেন একটা নিয়মে সবসময় চললে শরীরও সতেজ এবং প্রাণবন্ত থাকবে।  সকালে প্রথমেই চা না খেয়ে পছন্দের ফলমূল খান। চা আপনার অন্য খাবার খাওয়ার ক্ষুধা কমিয়ে দেবে। কিন্তু সকালবেলা যেহেতু আপনি সারাদিনের কাজের জন্য শক্তি সঞ্চয় করবেন এ সময় একটু বেশি খাবার গ্রহণ করার আপনার জন্য ভালো। এইসময় খাবারের তালিকায় রাখুন সালাদ, ফলের জুস, অথবা অন্য কোন স্বাস্থ্যকর ভালো খাবার যা আপনার কার্বোহাইড্রেটের জোগান দেবে। দুপুরে খাবার তালিকা আরেকটু হালকা করুন। প্রতিবেলা খাবার তালিকায় ফলমূল রাখার চেষ্টা করুন। যদি আপনার ফ্রি টাইম থাকে অথবা হালকা কাজকর্ম থাকে তাহলে কাজের ফাঁকে এমন কোনো খাবার খাবেন না যা আপনার ক্ষুধা নষ্ট করে ফেলে। যেমন চিপস অথবা কোনো ধরনের কোল্ড ড্রিঙ্কস।  দিনের একটা নির্দিষ্ট অংশ রাখুন ব্যায়ামের জন্য। বিকালে একটু হাঁটতে বের হন, অথবা সকালে সময় বের করতে পারলে একটু জগিং করুন। আর যদি খুব বেশি ব্যস্ত জীবন হয় তাহলে সেই ব্যস্ত জীবনের সঙ্গী করে তুলুন যোগাসনকে। দেখবেন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অভ্যস্ত হয়ে পড়বেন এর উপর। আর এর উপকারিতার কথা অবর্ণনীয়। শরীর যেমন চাঙ্গা থাকবে তেমনি থাকবেন সুস্থ এবং সুন্দর। মুভি দেখার সময়, আড্ডা দেওয়ার সময় অথবা ফোনে কথা বলার সময় খেতে থাকবেন না। আর দেরি করে শুতে যাবেন না। একটা নির্দিষ্ট বেড টাইম ফিক্সড করুন। ঠিক ওই সময় ঘুমাতে যাবেন। ঘুমের উপর নির্ভর করে অনেক কিছু। ভালো ঘুম আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। রুটিন করে খান আর নিয়মিত ঘুম এবং ব্যায়াম করুন। দেখবেন মোটা হয়ে যাওয়ার ভয় উড়ে যাবে খুব অল্প দিনের মধ্যেই।