ঈদ এলে সড়কে পুলিশের চাঁদাবাজি বেড়ে যায়

আপডেট : ২২ মে ২০১৯, ০০:২১

ঈদ আসলেই সড়ক ও মহাসড়কে পুলিশের চাঁদাবাজি বেড়ে যায়। এ চাঁদাবাজির কারণে সড়কে অনেক সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। আর চাঁদাবাজিতে পুলিশকে সহায়তা করে পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশকিছু চক্র। ফলে সড়কে পুলিশের চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় এমন অভিযোগ করেছেন হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি আতিকুল ইসলাম ও রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি হাফিজ আক্তার।

বৈঠক সূত্র জানায়, সড়কে পুলিশের চাঁদাবাজি নিয়ে দুই ডিআইজির বক্তব্য দেওয়ার পর পুলিশপ্রধান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী কঠোরভাবে বিষয়টি মনিটরিং করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের কারো বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে তাত্ক্ষণিক বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত ও ঈদ আনন্দ নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহ সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রদান করেন। আইজিপি মহাসড়কে নসিমন, করিমন, ভটভটি, ইজিবাইক ইত্যাদি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন এবং মহাসড়কে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া যানবাহন না থামানোর জন্যও সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, রাজধানীসহ দেশের বড় বড় শপিংমলে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি নারী পুলিশ ও সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি। জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ঈদের ছুটিতে বসতবাড়ি, ফ্ল্যাট এবং অ্যাপার্টমেন্টে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টহল বাড়াতে হবে। ট্যুরিস্ট পুলিশ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ট্যুরিস্ট স্পটে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করবে। আইজিপি জঙ্গি ও উগ্রপন্থিদের তত্পরতা রোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোড করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টাকারীদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি।