বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার বিচারের জন্য কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আদালত স্থানান্তরে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন বাতিল চেয়ে লিগ্যাল নোটিস পাঠানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার আইন সচিব বরাবর দেওয়া ওই নোটিসে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মামলার বিচার হতে হবে প্রকাশ্য আদালতে। কিন্তু কারাগারের একটি কক্ষে আদালত স্থাপন করে সেখানে বিচার হলে তা উম্মুক্ত হতে পারে না। ফলে সংবিধান অনুযায়ী এই প্রজ্ঞাপন বেআইনি। খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ডাকযোগে এ নোটিস পাঠান। নোটিসপ্রাপ্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রজ্ঞাপন বাতিল করা না হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ১৭টি মামলা বিচারের জন্য কেরানীগঞ্জ কারাগারে আদালত স্থানান্তর করে গত ১২ মে আইন মন্ত্রণালয় পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়ে লিগ্যাল নোটিস দেওয়া হলো। নোটিস প্রদানকারী আইনজীবী কায়সার কামাল ইত্তেফাককে বলেন, কোথায় কোথায় কারাগার স্থানান্তরিত হতে পারে, তা ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু এই আইনের কোথাও উল্লেখ নেই যে, কারাগারের মধ্যে আদালত স্থাপন হতে পারে। সুতরাং সংবিধান ও ফৌজদারি আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সরকার কারাগারে আদালত স্থানান্তর করেছে।
