পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় গত পাঁচ বছরে প্রায় পাঁচ শতাধিক পোল্ট্রি শিল্প গড়ে উঠেছে। আর এ শিল্পের সাথে জড়িত বেকার যুবকরা এখন স্বাবলম্বী। দিনে দিনে দীর্ঘায়িত হচ্ছে এ শিল্প। সম্ভাবনাময় এ শিল্পটিকে এগিয়ে নিতে সহজশর্তে ঋণ, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় বাচ্চা সরবরাহ আর ভেকসিনের সহজলভ্যর দাবি জেলার পোল্ট্রি খামারীদের। আটঘরিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে লেয়ার ও ব্রয়লার খামার রয়েছে পাঁচ শতাধিক। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে ডিমের আড়ত। তাই সহজেই খামারীরা এসব আড়তে ডিম বিক্রি করতে পারছে। ডিমের দাম লাভ বলেও জানান খামারীরা। তাই দিনে দিনে সম্প্রসারিত হচ্ছে এ শিল্প। তবে সম্ভাবনাময় এ শিল্পটিকে এগিয়ে নিতে সহজশর্তে ঋণ, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় বাচ্চা সরবরাহ আর ভেকসিনের সহজলভ্যর দাবি জেলার পোল্ট্রি খামারীদের। পোল্ট্রি খামারী শামিম হোসেন বলেন, অনেক বেকার যুবক পোল্ট্রি খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছে। এ শিল্পের সাথে অনেক যুবক জড়িত, তাই এ সম্ভাবনাময় শিল্পটির দিকে সরকারি নজরদারী দরকার। সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে খামারীদের ঋণ প্রদান করা হলে এ শিল্পকে আরো প্রসার ঘটানো সম্ভব বলে এ খামারী মনে করেন।
খামারী আমজাদ হোসেন জানান, এবার মুরগীর খামারে কোন রোগ-বালাই নেই। ডিমের দাম ভালো। দুই হাজার মুরগী থেকে প্রতিমাসে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা লাভ হয় বলে জানালেন। ডিমের আড়তদার শামিম আ. রহিম জানান, এ এলাকার অনেকে ডিমের ব্যবসা করে। এখান থেকে প্রতিদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিম পাঠানো হচ্ছে, ব্যবসাও খুব ভালো হচ্ছে।
