ফ্যাশনে ক্রিয়েটিভ ক্যারিয়ার

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৪, ২১:২৩
কোন অনুষ্ঠানে কেমন পোশাক, তার সাথে কোন জুতা বা অ্যাকসেসরিজ মানানসই, তা জানার জন্যও কিন্তু নির্ভর করতে হয় একজন ফ্যাশন ডিজাইনারের উপরেই। তাই একজন ফ্যাশন ডিজাইনারকে সময়ের সব ধরনের প্রবণতা সম্পর্কে যেমন ওয়াকিবহাল হতে হবে, তেমনি তাকে হতে হবে বিভিন্ন ধরনের মানুষের রুচি সম্পর্কে জ্ঞাত। তাহলেই তিনি ভালো ডিজাইনার হতে পারবেন। আধুনিক এই যুগে পরিবর্তন আসছে বিভিন্ন ক্ষেত্রেই। এরই ধারাবাহিকতায় পেশার ক্ষেত্রেও আসছে পরিবর্তন। পরিবর্তিত এই সময়ের একটি আধুনিক পেশা হলো ফ্যাশন ডিজাইন। বর্তমান সময়ের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ফ্যাশন ডিজাইনে পড়াশুনার প্রতি আগ্রহও বাড়ছে। ভর্তির যোগ্যতা আমাদের দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজী (এনআইএফটি) বিএসসি অনার্স ইন ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি, নিটওয়্যার ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি, টেক্সটাইল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং এবং অ্যাপারেল টেক্সটাইল কোর্স পরিচালনা করে থাকে। এ ছাড়াও ফ্যাশন ডিজাইন এবং মার্চেন্ডডাইজিংয়ে ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্স রয়েছে এখানে। এই কোর্সগুলোতে ভর্তির জন্য প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি বা সমমান। ০১৭৩১২২০০৯৯, ০১৯৭১০০৭৭৭৭ নম্বরে ফোন করে এই কোর্সগুলো সম্পর্কে আরও তথ্য জেনে নিতে পারবেন। ডিজাইনারের কাজ একজন ডিজাইনারের কাজের শুরুতেই আসবে বিভিন্ন উপলক্ষের জন্য পোশাক ডিজাইন করা। ঈদ, পুজা, বর্ষবরণ প্রভৃতি উপলক্ষের পোশাক ডিজাইন করতে হবে একজন ফ্যাশন ডিজাইনারকে। এ ছাড়া বছরের বিভিন্ন সময়ে পড়ার উপযোগী পোশাক ডিজাইন করাও তাদের কাজ। আর এ জন্য চলতি বিশ্বের ফ্যাশন ট্রেন্ড সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হয়। কাজের ক্ষেত্র ফ্যাশন ডিজাইনারদের জন্য গার্মেন্ট, বায়িং হাউজ, বুটিক হাউজ, ফ্যাশন হাউজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ফ্যাশন ডিজাইন এক্সিকিউটিভ, কনসালট্যান্ট, প্রোডাক্ট ডেভেলপার, এক্সপোর্টার-ইম্পোর্টার হিসেবেও রয়েছে কাজের সুযোগ। যোগাযোগ :জিপিজ, ১৪৬, ওয়্যারলেস গেট, মহাখালী, ঢাকা।