উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে মোরেলগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গন। দীর্ঘদিন পর মুখোমুখি হচ্ছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি নেতৃবৃন্দ। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। নানা উপায়ে তাদের কাছে ভিড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা। চলছে বিরামহীন প্রচার-প্রচারণা ও মাইকিং। কদর বেড়েছে দীর্ঘদিনের অবহেলিত নেতা-কর্মীদের । মোরেলগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির তিন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। আওয়ামী লীগ থেকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির প্রাক্তন সদস্য আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য জেলা আঃ লীগের সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট শাহ-ই আলম বাচ্চু। তিনি লড়ছেন দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে। তিনি আঃ লীগের সমর্থিত একক প্রার্থী। বিএনপি তথা ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত একক প্রার্থী পৌর বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল মজিদ জব্বার। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে মাঠে লড়ছেন। জাতীয় পার্টির সমর্থিত (এরশাদ) গ্রুপের কেন্দ্রীয় সদস্য উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সোমনাথ দে তিনি মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রচার-প্রচারণায় তিন জনই সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছেন।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক এইচ.এম.ছাবুল আখতার চশমা প্রতীক নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন। ১৯ দলীয় জোটের সমর্থিত উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক বজলুর রশিদ বাদশা তিনি উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। বিএনপি নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান তালা প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন। অনুরূপ বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক রিপন মাইক প্রতীক। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হক রিপনের তেমন কোন প্রচারণা নেই বললেই চলে। অপরদিকে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মান্নান খান সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে মৃত্যু শয্যায়।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন আঃ লীগ সমর্থিত বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আজমিন নাহার কলস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। ১৯ দলীয় সমর্থিত শাহীন ফেরদৌসী হ্যাপি হাঁস প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন। সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ নির্বাচনকে সামনে রেখে অধিকাংশ প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
