শাহিনার লাশ উদ্ধার হতে পারে আজ দুপুরের মধ্যে

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৪, ২৩:০৭
গৃহবধূ শাহিনার লাশ নলকূপের যতটুকু গভীরতায় পাওয়া যাবে বলে উদ্ধারকর্মীরা ভেবেছিলেন, সেখানে তা পাওয়া যায়নি। খনন কাজ পরিচালনার সময় ঝাঁকুনিতে পাইপের আরো গভীরে ঢুকে যাচ্ছে লাশটি। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪৩ ফুট পাইপ উত্তোলন করা হয়েছে। যার ফলে উদ্ধার কাজের চতুর্থ দিনেও শাহিনার লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এদিকে দেবিদ্বার থানার ওসি তারেক মোহাম্মদ নিশ্চিত করে বলেন, আজ দুপুরের মধ্যে শাহিনার লাশ উদ্ধার হবে। তিনি বলেন, ওই ৪৩ ফুট পাইপ কাটার পর পাইপ থেকে দুর্গন্ধ বেরুচ্ছে। নাকে কাপড় না বেঁধে কেউ ঘটনাস্থলে যেতে পারছে না। আশা করছি আজকের মধ্যে মরদেহ উদ্ধার করা হবে। বিষয়টি মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। খনন কাজের মিস্ত্রি আলী হোসেন জানান, আমরা যখন একটি রশিতে ইট বেঁধে এই পাইপের ভিতর ফেলি তখন দেখেছি ওই ইট বাঁধা রশিটি ৩৬ ফুটের বেশি যেতে পারেনি। তখনই অনুমান করেছি ওই ৩৬ ফুট নিচে মরদেহের অস্তিত্ব রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ শেষে আমাদের বিশ্বাস ছিল বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত আমরা ৪৩ থেকে ৫০ ফুট পাইপ উত্তোলন ও কাটতে পারব। তাই ধারণা করেছিলাম, বুধবার বিকালে হয়তো মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হবে। কিন্তু দিন শেষে প্রথমে ২০ ফুট ও পরে ২৩ ফুট পাইপ কাটতে সক্ষম হলেও বুধবার মরদেহ উদ্ধার সম্ভব হয়নি। কারণ খনন কাজের ঝাঁকুনিতে ওই মরদেহ ক্রমশই নিচে নেমে যায়। তবে এখন আমরা মাত্র ৩ ফুট নিচে মরদেহের অস্তিত্ব পেয়েছি। আজ সকাল থেকে কাজ শুরু করা হলে দুপুরের মধ্যেই লাশ উদ্ধার সম্ভব হবে। আমরা সম্পূর্ণ পাইপই উত্তোলন করব। এদিকে বুধবার বিকালে কুমিল¬া জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) নজরুল ইসলাম, দেবিদ্বার থানা অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) তারেক মোহাম্মদ হান্নান, তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহ্ কামাল আকন্দ, সুলতানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সার্বক্ষণিক তদারকিতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান সরকার রয়েছেন।