ইসলামী ব ই প রি চি তি

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০১৪, ১৯:১৭
মোহাম্মদ আবদুল মালেক শাহ্ মাইজভান্ডারী (আল চিশ্তী - আল কাদরী) রচিত এক কামেল সাধকের জীবনচরিত ও কিছু প্রাসঙ্গিক ঘটনাবলী মোহাম্মদ আবদুল মালেক শাহ মাইজভান্ডারী (আল চিশ্তী - আল কাদরী ) রচিত “এক কামেল সাধকের জীবনচরিত ও কিছু প্রাসঙ্গিক ঘটনাবলী” তরিকত অনুসন্ধানী তথা আউলিয়া প্রেমিদের জন্য একটি মহামূল্যবান বই। বইটির লেখক হযরত মোহাম্মদ আবদুল মালেক শাহ্ মাইজভান্ডারী (মা:জি:আ:) বর্তমান জামানার একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বুজর্গ, কুতুবুল আকতাব ও হযরত শাহ সূফী ছৈয়দ মুহাম্মদ রেয়াযত আলী ওরফে মনছুর আরাবী শাহ (র.) এর প্রধান খলিফা। হযরত মালেক শাহ (মা:জি:আ:) জীবনব্যাপী আপন পীরের নির্দেশ মোতাবেক অজিফা কালাম পাঠ করা, রিয়াযত সাধানা করে আল্লাহ ও রসূলের সন্তুুষ্টি অর্জনে সমর্থ হয়েছেন। লেখক বইটি অত্যন্ত সহজ সরল সাবলিল ভাষায় আল্লাহ ও রসূলের সন্তুষ্টি অর্জনের পথের প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য রচনা করেছেন। যেন বিপথগামী মানুষ আলোর পথের সন্ধান পান। আল্লাহর নিকট ক্ষমা ও অনুগ্রহ লাভ করতে পারেন। বইয়ে কিছু দুর্লভ দোয়া দুরুদ, জিকির ও অজিফার কথা বর্ণনা করা হয়েছে। যা পাঠ করে সাধারণ মানুষ আল্লাহর ক্ষমা ও অনুগ্রহ সহজে লাভ করতে সক্ষম হবে। বইটি বাণিজ্যিক প্রচার প্রচারণার উদ্দেশ্য প্রণয়ণ করা হয়নি। বইটির হাদিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১৪০/- টাকা। বইটি হাদিয়া নেয়া বাধ্যতামূলক নয়। হযরত মালেক শাহ (মা:জি:আ:) বইটি প্রসঙ্গে বলেন, বইটির মাধ্যমে আমি সকলের নিকট আল্লাহ ও রসূলের বার্তা প্রদান করেছি। আমি হয়ত একদিন থাকবনা এই একটি মহামূল্যবান দলিল হিসেবে থেকে যাবে। বইটি যিনি পড়বেন তাঁর মনে হবে কোন একটি মূল্যবান বিষয় মনে হয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। পাঠকের জানার ক্ষুধা আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিবে। বইটিতে ইসমে আজমের বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। ইসমে আজম পাঠ করার ফলে হযরত ইউনূছ (আ:) মাছের পেটে নিরাপদ ছিলেন। ইসমে আজম খুবই গুরুত্বপূর্ণ দোয়া। ইসমে আজম পাঠ করে যেমন বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় তেমনি আল্লাহ ও রসূলের সন্তুুষ্টি অর্জন করা যায়। উল্লেখিত ইসমে আজমের ওপর লেখক আমল করে পরিপূর্ণ ফজিলত পেয়ে বইটিতে ইসমে আজম গুলো উল্লেখ করেছেন। —ফিরোজ আহমদ