বিএনপি জোট সরকারের আরো পাঁচ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থপাচারের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং-এ দুদক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান। তবে তিনি সাবেক ওইসব মন্ত্রীর নাম প্রকাশ করেননি।
কমিশনার বলেন, গত জোট সরকারের আমলে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের মত আরো কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচারের তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। দুদক তাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও বলেন, তত্কালীন জোট সরকারের সময় বাংলাদেশ বেশ কয়েকবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বর্তমানে সেখান থেকে উত্তরণ ঘটেছে। আগামীতেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদকের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কমিশনার আরো বলেন, অর্থপাচার একটি ভয়াবহ অপরাধ। এটাকে দুদক কখনই হালকাভাবে দেখবে না। এক্ষেত্রে দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়।
এসময় খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিষয়ে দুদক কমিশনার বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মামলা করা হয়েছে। লন্ডনের একটি ব্যাংকে তার পাচারকৃত অর্থ জব্দ অবস্থায় আছে। এ বিষয়ে আরো তথ্য পেতে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
