এইচএসসি পরীক্ষার জীববিজ্ঞান এবং ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৪, ১৮:২৯
জীববিজ্ঞান প্রথমপত্র মোহাম্মদ আক্তার উজ জামান প্রভাষক, উদ্ভিদ বিদ্যা রূপনগর মডেল স্কুল ও কলেজ, ঢাকা। অধ্যায়-১ :উদ্ভিদের বিভিন্নতা পরিচ্ছেদ-১ :উদ্ভিদজগতের শ্রেণিবিন্যাস শিক্ষার্থীরা, আজ তোমাদের জন্য থাকছে জীববিজ্ঞান প্রথমপত্রের ১ নম্বর অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদ থেকে একটি সৃজনশীল প্রশ্নোত্তর। তোমরা বিজ্ঞানমুখি হও। (i) Raphanus sativus (মূলা) (ii) Brassica napus (সরিষা) (iii) Oryza sativa (ধান) প্রশ্ন:ক. বৃক্ষ কাকে বলে? প্রশ:খ. কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস বলতে কী বুঝায়? প্রশ্ন:গ. উদ্দীপকের নামগুলো লেখার ক্ষেত্রে কী কী নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হয়? প্রশ্ন:ঘ. উল্লিখিত নাম প্রদানের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর। উত্তর:ক. সুস্পষ্ট একক কাণ্ডবিশিষ্ট উঁচু কাষ্ঠল উদ্ভিদকে বৃক্ষ বলা হয়। উত্তর:খ. উদ্ভিদের স্বরূপ অথবা ২/১টি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদজগতের যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস বলে। থিয়োফ্রাস্টাস এবং লিনিয়াসের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাসের উদাহরণ। উত্তর:গ. উদ্দীপকের নামগুলোকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নাম। নামগুলো লেখার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হয়: ১. কোন জীব প্রজাতির নাম দুটি পদ নিয়ে গঠিত হবে। ২. দ্বিপদ নামের প্রথম অংশটি গণ নাম ও দ্বিতীয় অংশটি ঐ গণের প্রজাতিক পদ। ৩. ল্যাটিন ভাষায় দ্বিপদ নাম গঠন করতে হবে। ৪. নামকে বৈধভাবে প্রকাশিত হতে হবে। ৫. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদের সব অক্ষরই ছোট হাতের হবে। ৬. নামের শেষে নাম প্রদানকারী বিজ্ঞানীর নাম লিখতে হবে (প্রয়োজনে সংক্ষিপ্তভাবে)। ৭. কেবলমাত্র প্রজাতির ক্ষেত্রে দ্বিপদ নাম প্রযোজ্য হবে। ৮. নামের অবশ্যই একটি টাইপ নির্দেশনা থাকতে হবে। ৯. একটি প্রজাতির একটিমাত্র শুদ্ধ নাম থাকবে। প্রকাশের অগ্রাধিকারভিত্তিতে শুদ্ধ নাম নির্ণয় করতে হবে। ১০. দ্বিপদ নাম ইটালিক বা মোটা অক্ষরে ছাপাতে হবে। ১১. দ্বিপদ নাম হাতে লিখলে ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করতে হবে এবং অংশ দুটির নিচে (গণ ও প্রজাতিক পদ) আলাদা আলাদাভাবে দাগ দিতে হবে। ১২. প্রজাতির উপরের স্তরের (যেমন: বিভাগ, শ্রেণি ইত্যাদি) নাম হবে একপদী। উত্তর: ঘ. প্রতিটি উদ্ভিদের একটি সাধারণ বা আঞ্চলিক নাম থাকে। আঞ্চলিক নাম দ্বারা বিশেষ অঞ্চলের বা বিশেষ ভাষার লোক ছাড়া একটি উদ্ভিদকে চিনতে পারে না। সমস্ত বিশ্বের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হলো দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি। উদ্দীপকে তিনটি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম দেয়া আছে। উল্লিখিত উদ্ভিদের নামকরণের গুরুত্ব নিম্নে উল্লেখ করা হলো: ১. সাধারণ বা প্রচলিত নাম অপেক্ষা এ নাম যথাযথ ও অধিক নির্দিষ্ট। ২. বহু ভাষায় বহু নামের জটিলতা পরিহার করা। ৩. একক নামে বিশ্বের সকল ভাষার লোকের কাছে পরিচয় করানো। ৪. সকল প্রজাতির নামের মাঝে একটি সমতা আনা। ৫. একটি উদ্ভিদ কোন গণের অন্তর্গত তা জানতে পারা। ৬. উদ্ভিদ শনাক্তকরণ ও উদ্ভিদ সম্পর্কিত লব্ধ জ্ঞানের আদান-প্রদান সহজ হয়। ব্যাবসায় নীতি ও প্রয়োগ মো: কবির হোসেন (সুজন) প্রভাষক ব্যবস্থাপনা বিভাগ নিকুঞ্জ মডেল কলেজ, ঢাকা। প্রিয় এইচএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা, আজ তোমাদের জন্য জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর ছাপা হলো। অধ্যায়-৪ (ব্যবস্থাপনা অংশ) কর্মীসংস্থান ০১. স্টাফিং অর্থ কী ? উত্তর: স্টাফিং অর্থ কর্মীসংস্থান। ০২. কর্মীসংস্থান কী ? উত্তর: একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ে কি ধরনের কত সংখ্যক কর্মীর প্রয়োজন তা নির্দিষ্টকরণ, সেই অনুযায়ী যথাযথ উত্স যাচাই করে তা থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মী সংগ্রহ, কর্মী নির্বাচন, কর্মী প্রশিক্ষণ এবং তাদের যথাযথভাবে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কার্য ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়াকেই কর্মীসংস্থান বলে। ০৩. কর্মী সংগ্রহ কী ? উত্তর: কর্মী সংগ্রহ এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে সম্ভাবনাময় সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মীকে খুঁজে বের করে তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর জন্য আবেদন করতে উত্সাহিত করা। ০৪. কর্মী নির্বাচন কী ? উত্তর: কর্মী নির্বাচন এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে সম্ভাবনাময় সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মীকে খুঁজে বের করে তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর জন্য আবেদন করতে উত্সাহিত করা এবং আবেদনকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে থেকে সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তিকে যাচাই করে নির্বাচন করা। ০৫. কর্মী সংগ্রহের উত্স কয়টি ? উত্তর: কর্মী সংগ্রহের উত্স দুইটি। ০৬. অভ্যন্তরীণ উত্স কী ? উত্তর: প্রতিষ্ঠানের কর্মে নিয়োজিত কর্মীদের মধ্য থেকে বা তাদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে কোন কর্মী নিয়োগ করা হলে এই উত্সকে অভ্যন্তরীণ উত্স বলে। ০৭.বাহ্যিক উত্স কী ? উত্তর: অভ্যন্তরীণ উত্স ছাড়া অন্য যে কোন উত্স হতে কর্মী সংগ্রহ করা হলে তাকে বাহ্যিক উত্স বলে। ০৮. বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ কোন উেসর অন্তর্গত ? উত্তর: বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ বাহ্যিক উেসর অন্তর্গত। ০৯.কর্মী নিয়োগ কী ? উত্তর: কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং খোঁজ খবর নেওয়ার পর যখন কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে পূর্ব নির্ধারিত কোন পদে নিয়োগ দানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় তখন তা কার্যকর করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয় তাকে কর্মী নিয়োগ বলে। ১০. পদোন্নতির ভিত্তি কয়টি ? উত্তর: পদোন্নতির ভিত্তি তিনটি। ১১.জ্যোষ্ঠত্বের ভিত্তিতে পদোন্নতি কী ? উত্তর: নিম্নতর পদ থেকে অপেক্ষাকৃত উচ্চতর পদে কাউকে পদোন্নতির ক্ষেত্রে যদি চাকুরীর মেয়াদ বিবেচনায় নির্বাচন করা হয় তবে তাকে জ্যোষ্ঠত্বের ভিত্তিতে পদোন্নতি বলে। ১২.প্রশিক্ষণ কী ? উত্তর: প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মীদের নিকট থেকে স্বেচ্ছায় সাধ্যমত কাজ পাওয়ার লক্ষ্যে হাতেনাতে কাজ শিখানোকে প্রশিক্ষণ বলা হয়। ১৩. কাজের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কী ? উত্তর: যে প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে একজন কর্মী বা নির্বাহী কাজের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বা কার্য চলাকালে উধ্বর্তনের অধীনে থেকে কাজ সম্পর্কে হাতে নাতে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পায় তাকে কাজের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ বলে। ১৪. কাজের বাহিরে প্রশিক্ষণ কী ? উত্তর: যে প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে কর্মীদেরকে কর্মক্ষেত্রের বাহিরে সুন্দর ও নিরিবিলি পরিবেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তাকে কাজের বাহিরে প্রশিক্ষণ বলে। ১৫.কর্মীসংস্থান প্রক্রিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ট পদক্ষেপ কী ? উত্তর; অত্যন্ত ঘনিষ্ট পদক্ষেপ কর্মী সংগ্রহ ও কর্মী নির্বাচন। ১৬. কর্মীসংস্থানের কোন কাজের ফলে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দায় দায়িত্বের সৃষ্টি হয় না? উত্তর: কর্মী সংগ্রহ কাজের ফলে আর্থিক দায় দায়িত্বের সৃষ্টি হয় না। ১৭. কর্মী সংগ্রহ কোন ধরনের কাজ ? উত্তর: কর্মী সংগ্রহ একটি ইতিবাচক কাজ। ১৮. কর্মী নির্বাচন কোন ধরনের কাজ ? উত্তর: কর্মী নির্বাচন একটি নেতিবাচক কাজ। ১৯. কর্মীসংস্থানে কর্মী সংগ্রহের পরবর্তী কাজ কোনটি ? উত্তর: কর্মী সংগ্রহের পরবর্তী কাজ কর্মী নির্বাচন। ২০.প্রাথমিক নির্বাচন কী ? উত্তর: লিখিত পরীক্ষা বা সাক্ষাত্কার বা উভয়ের ভিত্তিতে কোন কর্মীকে যোগ্য বলে বিবেচনা করা হলে তাকে প্রাথমিক নির্বাচন বলা হয়।