চিতলমারীতে লড়াই হবে দ্বিমুখী

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৪, ২২:০৯
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে। এখানে নির্বাচনী দৌড়-ঝাঁপে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন প্রার্থীরা। প্রার্থীরা রাত-দিন চষে বেড়াচ্ছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভোটারদের এলাকা। নির্বাচনকে ঘিরে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে ভোটারসহ সর্বস্তরের মানুষ। ভোটাররাও হিসাব কষছেন প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ের। এখানে দু’টি পদেই লড়াই হবে দ্বিমুখী। জানা গেছে, চেয়ারম্যন পদে প্রচার-প্রচারণা ও ভোটারদের হিসেবে যারা এগিয়ে আছেন তারা হলেন: বর্তমান চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল (মটর সাইকেল) ও বড়বাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান পান্না (হেলিকাপ্টার)। এ দু’জনের মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তারা দু’জনই আওয়ামী ঘরানার প্রার্থী। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিএনপির এ্যাড. কাজী মানোয়ার হোসেন (ঘোড়া) জয়ের গোল দিতে পারেন বলে অনেকেরই ধারণা। এখানে চেয়ারম্যান পদে অন্য প্রার্থীরা হলেন: সন্তোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও জয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান শামীম (আনারস), ও শেখ বাবুল হোসেন (দোয়াত-কলম)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রচারণায় এগিয়ে আছেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও শেখ রুস্তম আলী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং তরুণ সমাজ সেবক মো. রাশেদ পুকুল (উড়োজাহাজ) এবং বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. সাহেব আলী ফরাজী (মাইক)। এই দু’জনের মধ্যে লড়াই হবে বলে সাধারণ ভোটাররা দাবি করছেন। তবে এখানে বিএনপির প্রার্থী অসীম সমাদ্দার (চশমা) কোন গণনায় আসবে না বলে ভোটাররা জানিয়েছেন। এখানে ভাইস চেয়ারম্যান পদে অন্য প্রার্থীরা হলেন: শেখ মাহাতাবুজ্জামান (তালা), খান সেকেন্দার আলী (টিউবওয়েল), শিকদার হেমায়েত (জাহাজ)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রচার চালাচ্ছেন বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিবানী বিশ্বাস (প্রজাপতি), উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হেলেনা পারভিন (হাঁস), উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদিকা সাবেরা কামাল স্বপ্না (ফুটবল) ও উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রুনা গাজী (কলসি)। ভোটারদের হিসেবে এরা ৪ জনই শক্ত প্রার্থী। তাই এদের জয়-পরাজয়ের হিসাব-নিকাশ করা ভোটারদের পক্ষে বড়ই কঠিন।